মার্চে খুলছে আমিরাত শ্রমবাজার, এমাসেই বৈঠক: মন্ত্রী ইমরান
প্রকাশিত হয়েছে : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ

সুরমা নিউজ ডেস্ক:
সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রমবাজার মার্চে চালু হবে বলে আশা করছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। তিনি বলেন, প্রথম দিকে দক্ষ কর্মী পাঠানোর মধ্য দিয়ে আবরো শ্রমবাজারটি চালু হচ্ছে।
রোবিবার (২ ফেব্রুয়ারী) মন্ত্রী ইমরান আহমদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি মাসেই কর্মী নেয়ার বিষয়টি চুড়ান্ত হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে শক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারী) তাঁর আমিরাত যাওয়ার কথা রয়েছে।
এসময় মন্ত্রী আরো জানান, প্রথম দিকে দক্ষ কর্মী নিবে দেশটি এবং পর্যায়ক্রমে অন্য কর্মীও নেবে দেশটি। ইমরান আহমদ বলেন, কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা করতেই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। বন্ধ শ্রমবাজার চালু করতে সর্বাত্নক চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলেও জানান মন্ত্রী। বলেন, আমিরাতে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অভিবাসন ব্যয়কে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। একইসাথে দেশটিতে যাওয়ার পরে কর্মীদের সুরক্ষা এবং সুযোগসুবিধা নিশ্চিত করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর কর্মী পাঠানোর সকল বিষয় জানানো হবে। এজন্য কর্মীদেরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন ইমরান আহমদ। বলেন, কর্মীরা সচেতন হলে বেশি ব্যয়ে তারা বিদেশ যাবে না। বলেন, কতো বেতন সেটা নিশ্চিত হয়ে যদি কর্মীরা খরচ করে যায়, তাহলে ভোগান্তি বা প্রতারণার ভয় কম থাকে।
জানাগেছে, প্রথম দিকে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে চাহিদাপত্র আসবে বাংলাদেশে। এক্ষেত্রে কর্মীদের অবশ্যই দক্ষ হতে হবে। আমিরাতের শ্রমবাজার ধরে রাখতে এবার মন্ত্রণালয় কঠোরভাবে তদারকি করবে বলে সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে গেল বছরের ১৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমিরাত সফরকালে আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এক সাক্ষাতে শ্রমবাজারটি চালুর বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়।
সে সময়ে আমিরাতের বন্ধ থাকা শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে যুবরাজ নাহিয়ান বলেন, ”বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরবর্তী আমিরাত সফরকালে এ প্রশ্নটি আর করতে হবে না”। সেই বৈঠকে তিনি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আগের চেয়ে বেশি ওয়ার্ক পারমিট দেয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের পর থেকে দেশটি বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া বন্ধ করে দেয়। অর্থাৎ কর্মী নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আমিরাত সরকার। এরপর থেকে কিছু সংখ্যক কর্মী গৃহখাতে গেলেও মোটাদাগে এখন পর্যন্ত আমিরাতে লোক পাঠানো বন্ধ রয়েছে।







