আমেরিকায় এইচ-১বি ভিসার কড়াকড়ি, মেধাবীদের দেশে টানতে পাল্টা কে ভিসা চীনের
প্রকাশিত হয়েছে : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১:৩১ অপরাহ্ণ

সুরমা নিউজ ডেস্ক:
অভিবাসন নিয়মে একটি বড় পরিবর্তন এনে নতুন ‘কে’ ভিসা চালু করলো চীনের স্টেট কাউন্সিল, যা ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে। এই ভিসাটি মূলত বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও গণিতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে (এসটিইএম) প্রতিভাবান মেধাবীদের নিজেদের দেশে টানতে ডিজাইন করা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসার জন্য ১ লক্ষ ডলার বার্ষিক ফি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে বিদেশি কর্মীদের জন্য এটিকে আরও কঠিন এবং আরও ব্যয়বহুল করে তুলছে, তখন চীন মেধাবীদের দেশে টানতে বিপরীত পন্থা নিচ্ছে। কে ভিসার কী কী সুবিধা রয়েছে?
বর্তমানে চীনের যে ১২টি সাধারণ ভিসা রয়েছে, সেগুলোর তুলনায় কে ভিসায় অনেক বেশি সুবিধা মিলবে। এই ভিসায় আবেদনের প্রক্রিয়া খুবই সহজ। এই ভিসার জন্য কোনও চীনের কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্রের দরকার হবে না। কে ভিসা দিয়ে চীনে একাধিকবার প্রবেশ করা যাবে। সেই সঙ্গে এই ভিসার মেয়াদ ও চীনে থাকার সময়কালও অনেক বেশি। এই ভিসায় চীনে গিয়ে পড়াশোনা, সাংস্কৃতিক বা বৈজ্ঞানিক কোনও কাজের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যও করা যাবে।
নতুন এই ভিসাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে কর্মরত বা অধ্যয়নরত তরুণদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। যোগ্য আবেদনকারীদের মধ্যে এসটিইএম ক্ষেত্রের স্নাতকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে-যারা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং গণিত, যারা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর পাশাপাশি যারা এই ধরনের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা বা গবেষণার কাজের সঙ্গে যুক্ত, তারাও আবেদন করতে পারবেন। চীনের কে ভিসা এমন এক মুহূর্তে সামনে এলো যখন হাজার হাজার প্রতিভাবান পেশাদার আমেরিকার বাইরে নতুন সুযোগ খুঁজছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের কে ভিসা অনেকটা আমেরিকার এইচ-১বি ভিসার মতোই। আমেরিকা এইচ-১বি ভিসার জন্য বছরে ১ লাখ ডলার ফি চাপিয়েছে, যা সেই দেশে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। এমন সময়ে চীনের এই নতুন ভিসা দক্ষিণ এশিয়ার পেশাদারদের কাছে একটি নতুন সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস







