বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে দেশের মানুষ স্বাধীনতার পূর্নস্বাদ লাভ করে : লন্ডন মহানগর আ’লীগ
প্রকাশিত হয়েছে : ১৩ জানুয়ারি ২০১৭, ৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ
লন্ডন অফিসঃ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন উপলক্ষ্যে লন্ডন মহানগর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয় । গত ১০ই জানুয়ারী মঙ্গবার পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেইনের একটি রেস্টুরেন্টে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ। ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাঘার থেকে মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্য হয়ে বাংলাদেশে গমন করেন। ঐতিহাসিক এই দিনটিকে পালন করে লন্ডন মহানগর আওয়ামীলীগ।
সংগঠনের সভাপতি নূরুল হক লালা মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলতাফুর রহমান মোজাহিদ ও যুগ্ম সম্পাদক আজহারুল ইসলাম সিপার যৌথ সঞ্চালনায় সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সহ সভাপতি ইলিয়াস মিয়া।
অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সিতাব চৌধরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব সাজ্জাদ মিয়া, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মেহের নিগার চৌধুরী, ইমিগ্রেশন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট এম এ করিম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ ছুরুক আলী, সদস্য মল্লিক ওদুদ শাকুর, আহমদ ফখর কামাল, জলিল চৌধুরী, লন্ডন মহানগর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আনহার মিয়া, সহ সভাপতি ইলিয়াস মিয়া, সফিক আহমদ, সৈয়দ এহসান, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ সাদেক আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, প্রচার সম্পাদক এডভোকেট আনিসুর রহমান আনিছ, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক সুরমান হোসেন, সদস্য গোলাম কিবরিয়া, আহবাব মিয়া ওসি, সৈয়দ গোলাব আলী, সৈয়দ তাজির উদ্দিন মান্নান, মো: কবির চৌধুরী, কাজী বাবর, মাসুক মিয়া, ওয়ারিছ আলী, মজুমদার মিয়া, সিজিল আহমদ, সামছুদ্দিন আনোয়ারী, দিলবর আলী, দারা মিয়া,
স্বেচ্ছাসেবক লীগ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ঝলক পাল, শ্রমিক লীগ আহবায়ক শামীম আহমদ, যুগ্ম আহবায়ক চন্দন মিয়া, অরুপ চৌধুরী, এভাকেট শামসুল ইসলাম চৌধুরী, নর্থ লন্ডন আওয়ামীলীগ সভাপতি সুলতান আলী, তাতী লীগ সভাপতি আব্দুস সালাম, ইস্ট লন্ডন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বশির আহমদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলীম, যুবলীগ সাংগঠকি সম্পাদক বাবুল আহমদ খান, যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল ইসলাম জামাল প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতার পূর্নস্বাদ লাভ করে। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য নেতৃত্বের কারনেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভারতীয় মিত্রবাহিনী বাংলাদেশ ত্যাগ করে। তিনি যখন দেশকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তখনই ১৫ই আগষ্টের কালো রাত্রে তাকে সহ পরিবারে হত্যা করে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা।
বর্তমানে তারই সুযোগ্য কন্যা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে দেশকে সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর গত ৮ বছরের সফল নেতৃত্বের কারনে দেশ অচিরেই মধ্য আয়ের দেশে পরিনত হবে। দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থানসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। প্রতিটি দেশ এক বাংলাদেশকে সম্ভবনার দেশ হিসেবে উল্লেখ করছে। সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। এদিকে সভায় বক্তারা জগন্নাথপুরের রানীগঞ্জ বাজারে নির্মিত রানীগঞ্জ সেতুকে মরহুম আব্দুস সামাদ আজাদের নামে নামকরনের দাবী জানান।







