স্থায়ী বসবাসের নিয়মে কঠোর হচ্ছে যুক্তরাজ্য
প্রকাশিত হয়েছে : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সুরমা নিউজ ডেস্কঃ
যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন ও কঠোর নিয়ম আনার কথা বিবেচনা করছে সরকার। স্থায়ী বসবাস বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্সির আবেদনকারীদের এবার দেশের সমাজ ও অর্থনীতিতে তাদের ‘মূল্য’ প্রমাণ করতে হতে পারে। সোমবার এক ভাষণে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এই পরিকল্পনার কথা জানাবেন। খবর রয়টার্স।
অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কট্টরপন্থী দল রিফর্ম ইউকের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার মোকাবেলা এবং জনমতকে প্রভাবিত করার জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের লেবার পার্টির এটি সর্বশেষ প্রচেষ্টা।
বর্তমানে অধিকাংশ অভিবাসী ব্রিটেনে পাঁচ বছর বসবাসের পর ‘ইনডেফিনিট লিভ টু রিমেইন’ বা স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে পারে।
সরকার এই নিয়মে পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে— লেবার পার্টির সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে প্রথম ভাষণে মাহমুদ এ কথা বলবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। লেবার পার্টি কর্তৃক প্রকাশিত ভাষণের অংশ অনুসারে, স্থায়ী বসবাসের এই মর্যাদার জন্য আবেদনকারীদের কয়েকটি কঠোর শর্ত পূরণ করতে হবে—তাদের অবশ্যই সামাজিক নিরাপত্তা খাতে অবদান রাখতে হবে। কোনো ফৌজদারি অপরাধের রেকর্ড থাকা যাবে না এবং কোনো সরকারি সুবিধা দাবি করতে পারবেন না। আবেদনকারীদের উচ্চ মানের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা থাকতে হবে।
সর্বোপরি, তাদের সমাজে স্বেচ্ছাসেবী কাজের রেকর্ড থাকতে হবে, যা সমাজকে তাদের মূল্য প্রমাণ করবে।
শাবানা মাহমুদ ঘোষণা করবেন যে, এই প্রস্তাবগুলো নিয়ে চলতি বছরের শেষের দিকে একটি পরামর্শমূলক প্রক্রিয়া শুরু হবে।
অভিবাসনবিরোধী নেতা নাইজেল ফারাজের দল রিফর্ম ইউকে বর্তমানে জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছে। দলটি গত সপ্তাহে ঘোষণা করে যে, তারা স্থায়ী বসবাসের বর্তমান ব্যবস্থা বাতিল করে এর পরিবর্তে পাঁচ বছরের নবায়নযোগ্য কাজের ভিসা চালু করার কথা ভাবছে। তবে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার রোববার রিফর্ম ইউকের গণ-নির্বাসনের নীতিকে ‘বর্ণবাদী নীতি’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এটি ‘দেশকে ছিন্নভিন্ন করে দেবে।’








