যুক্তরাষ্ট্রে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনদের মিলনমেলা
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ আগস্ট ২০২৫, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মরণীয় পুনর্মিলনী। জমকালো এই অনুষ্ঠানে উপাচার্যের সঙ্গে এই অনুপ্রেরণামূলক সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে থাকা প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী মিলনমেলায় রুপ নেয়।
গত ২৬ জুলাই, নিউ ইয়র্কের ব্র্যাক ইউএসএ অফিসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ ফেরহাত আনোয়ার, রেজিস্ট্রার ডেভিড ডাওল্যান্ড, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক সাদিয়া হামিদ কাজী এবং ডেটা অ্যান্ড সায়েন্সেস স্কুলের ডিন অধ্যাপক মাহবুব মজুমদার।
নিউইয়র্ক ছাড়াও ব্রাকের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মিশিগান, ভার্জিনিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনেকেই পুরনো বন্ধুদের দেখা পেয়ে আবেগআপ্লুত হন, আড্ডা আর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন স্টুডেন্ট লাইফের জয়েন্ট ডিরেক্টর তাহসিনা রহমান এবং অ্যালামনাই ম্যানেজার ফরহাদ হোসেন। তাঁরা প্রাক্তনদের মেন্টরশিপ ও স্বেচ্ছাসেবায় যুক্ত থাকার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন,ইফাজ করিম, নাসমুস সাকিব নিলয়, আরেফিন চিশতী, সাদিয়া আনজুম এবং রিশাদ ফারিহা। তাঁদের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্টানে উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ ফেরহাত আনোয়ার বলেন, আমাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিশ্বজুড়ে যে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করছে, তা সত্যিই গর্বের বিষয়। আপনারা শুধু আমাদের দূতই নন, আমাদের স্বপ্নের সঙ্গী। চলুন, আমরা একসাথে একটি আরও শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাগত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ডেভিড ডাওল্যান্ডও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন। তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস সম্পর্কিত ভিশন ও পরিকল্পনা নিয়ে একটি সুন্দর স্লাইড উপস্থাপন করেন এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ও যাত্রা সম্পর্কে কথা বলার সুযোগ করে দেন। এসময় সামিরা কে শুভ্রা, আশিক রহমান, সায়েদা নিগার সুলতানা, আফজাল আফতাব ও মোঃ রায়হান হাসান মাহিন তাঁদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।।
অধ্যাপক সাদিয়া হামিদ কাজী জানান, বিশ্বজুড়ে ব্র্যাকের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতিচ্ছবি। তাঁদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে চাই আমরা।
অধ্যাপক মাহবুব মাজুমদার বলেন, এতগুলো পরিচিত মুখ একসাথে দেখে আমি অত্যন্ত আবেগাপ্লুত। আমি বিশ্বাস করি, এই মিলনমেলায় উপস্থিত অনেকে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অগ্রগতিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রভাব দিন দিন বাড়ছে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা শুধু নিজেদের সফলতাই ভাগ করে নেননি, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা জানিয়েছেন ,যে কোনো প্রয়োজনে তারা ভবিষ্যতের শিক্ষার্থীদের পাশে আছেন এবং থাকবেন।







