ওসমানীনগরে ভ্যাপসা গরমের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে অসহনীয় লোডশেডিং
প্রকাশিত হয়েছে : ১১ জুন ২০১৭, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভ্যাপসা গরম কিছুতেই কমছে না। দিনে যেমন রোদের খড়তাপ তেমনি রাতে বইছে গরম হাওয়া। সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে অসহনীয় লোডশেডিং। পবিত্র মাহে রমজান মাসে ইফতার ও তারাবির নামাজের সময় লোডশেডিং নিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিটা মসজিদের মুসল্লিরা তারাবির নামাজ পড়তে এসে বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমের মধ্যে নামাজ পড়তে হচ্ছে। রোজাদার মুসল্লিরা সারাদিন রোজা রেখে ইফতারী সামনে নিয়ে খাবার টেবিলে বসার সাথে সাথেই কোন কোন এলাকায় প্রায় দিনই কোন পূর্বাভাস ছাড়াই আচমকা বিদ্যুৎ চলে যায়। এতো ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে তারাবি ও ইফতারে মারাত্মক কষ্টদায়ক ও ভোগান্তি হচ্ছে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিসহ সকল মানুষের।
তাই বিশেষ করে ইফতার ও তারাবির সময় নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি উপজেলাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন। বিদ্যুৎ বিভাগ দাবি করছে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ জোনাল অফিসের আওতাধীন ওসমানীনগর-বালাগঞ্জ গ্রাহকের দৈনন্দিন বিদ্যুৎ চাহিদার পরিমাণ ২০ মেগাওয়াট। কিন্তু গ্রিড থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ১২ থেকে ১৩ মেগাওয়াট। চাহিদা এবং প্রাপ্তির বিরাট ফারাকের কারণেই ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। দৈনন্দিন চাহিদার অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পেয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ছাত্র, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের জনগণকে।
এদিকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার এমন বিপর্যয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কোনো প্রকার সদুত্তর পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। গরমের মৌসুম শুরু হতেই প্রায় ৫৪ হাজার গ্রাহক প্রতিদিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। গ্রীষ্ম শুরুর প্রাক্কালেই বিদ্যুৎ ব্যবস্থার এমন বিপর্যয় মেনে নিতে পারছেন না গ্রাহকরা।
তাদের দাবি, একটা নির্দিষ্ট সময়ে প্রয়োজনীয় লোডশেডিং করা হোক। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগ এ ক্ষেত্রে চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে। নির্দিষ্ট অভিযোগ কেন্দ্র গুলোতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মোবাইল ফোন সংযোগ বন্ধ করে রাখা হয় বলে অভিযোগও রয়েছে। এ ব্যাপারে সিলেট-১ কাশিকাপন জোনাল অফিসের ডিজিএম জহিরুল ইসলাম বলেন, গরমের দিনে চাহিদা অনুযায়ীয় বিদ্যুৎ না থাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। অফিসের মোবাইল ফোনের সংযোগ সব সময় খোলা থাকে।







