ওসমানীনগরে রমজানে অসহনীয় লোডশেডিং : দেখার কেউ নেই
প্রকাশিত হয়েছে : ৩০ মে ২০১৭, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ওসমানীনগরে পবিত্র মাহে রমজান মাসেও বিদ্যুতের লোডশেডিং অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুত বিহীন গোটা থাকে ওসমানীনগর । অথচ দেখার কেউ নেই। গত কিছুদিন পুর্বে দয়ামীরে বিদ্যুতের দাবীতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেছিল কয়েকটি গ্রামের মানুষ। বিদ্যুতের তেলেসমাতিতে ক্রমেই ফুঁসে উঠছে উপজেলার মানুষ।
ভোক্তভোগীরা অভিযোগ করেন,এলাকায় সেহরী ও ইফতারের সময়ও বিদ্যুতের দেখা মিলছে না। প্রায় দিন উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মানুষ রাতের বেশির ভাগ সময় বিদ্যুতহীন পার করতে হয়। প্রচন্ড গরমে ওসমানীনগর উপজেলার সকল অঞ্চলের বিদ্যুত ভোগান্তি চরম মাত্রায় পৌছেছে।
বিদ্যুতের কারণে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ে বিঘ্ন ঘটছে। ইবাদত বন্দেগী, সেহরী, ইফতার, তারাবির নামাজ আদায়ে মানুষ বিদ্যুতের দেখা পাচ্ছে না। আজ(মঙ্গলবার) ইফতার পরেই উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ছিলো বিদ্যুতহীন। এতে মুসল্লিরা নামাজ আদায়ে সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।এদিকে, বিদ্যুত বিভ্রাটের কবলে পড়ে বিপাকে পড়েছেন বিদ্যুত চালিত ছোট বড় ব্যবসায়ীরা। বিদ্যুতের তেলেসমাতির কারণে তাদের ব্যবসা বাণিজ্য প্রায় বন্ধ রয়েছে। ক্ষতি দেখা দিয়েছে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। বিদ্যুৎ নিরবিচ্ছিন্ন না হলেও মাস শেষে ভূতুড়ে বিদ্যুত বিল পরিশোধ করতে হয়।
অন্যদিকে, প্রচন্ড গরমে ও পবিত্র রামদ্বান মাসে ঘনঘন বিদ্যুত তেলসমাতির প্রতিবাদে বিক্ষোব্ধ হয়ে উঠেছে ভুক্তভোগী মানুষ। কোন ঘোষণা ছাড়াই রামদ্বান মাসের ইফতার, তারাবিহ ও সেহরীর সময় ভয়াবহ বিদ্যুত বন্ধ রাখা হয়।
আতাউর রহমান জানান, পবিত্র রমজান মাসে বিদ্যুতের তেলসমাতির কারণে ঘরে ঘরে মোমবাতি। বিদ্যুত নিয়ে জনগনের সাথে তামাশা করছে বিদ্যুত বিভাগ। তারাবির নামাজ, সেহরী ও ইফতারের সময় বিদ্যুতের চরম লোকচুরির বিষয় খতিয়ে দেখতে প্রশাষনের প্রতি তিনি আহবান জানিয়েছেন। কাশিকাপন জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) জহিরুল ইসলাম সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মুঠো ফোন বন্ধ পাওয় যায় ।







