উমরপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থী যুক্তরাজ্য প্রবাসী খালেদুর রহমান
প্রকাশিত হয়েছে : ৩১ মে ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই বৎসরের শেষের দিকে শুরু হবে নির্দলীয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন।সরকার ইতিমধ্যে ঘোষনা দিয়েছে যে,স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় কোন প্রতীক থাকছেনা। এরফলে ১নং উমরপুর ইউনিয়ন থেকে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী খালেদুর রহমান। খালেদুর রহমান ১৯৭০ সালের উমরপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।উনার পিতার নাম শহীদ সফিকুর রহমান।
১৯৭১ সালে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আগষ্ট মাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী খালেদুর রহমানের পিতা সফিকুর রহমানকে ধরে নিয়ে যায়।উমরপুর ইউনিয়নের আরো তিনজন সহ মোট চারজনকে ধরে নিয়ে সাদীপুর নদীর ধারে নিয়ে গুলি করে হত্যা(শহীদ)করে। তখন খালেদুর রহমানের বয়স ছিল মাত্র দেড় বছর। মাত্র দেড় বছরে তিনি পিতৃহারা হন। মাঠিয়া খাঁড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উনার প্রাথমিকের যাত্রা শুরু। পরে মাধ্যমিকের পর্ব শেষ করে উনি সূদুর মধ্যপ্রাচ্যে চলে যান।কিছুদিন মধ্যপ্রাচ্যে থেকে উনি আবারও বাংলাদেশে ফিরে আসেন।বাংলাদেশে এসে উনি ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন।এবং ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এবং বিভিন্ন সংগঠনের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন।
ছাত্রাবস্থায়ও উনি স্বপ্ন দেখতেন যে,লেখাপড়া শেষ করে সমাজসেবা করবেন।তিনি ১৯৯১সালে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য যুক্তরাজ্যে চলে যান।যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পরও তিনি দেশকে ও দেশের মানুষকে ভূলে যাননি।কিছু বছর অন্তর অন্তর দেশে যাওয়া আসা করতেন।অসহায়,দুস্হ মানুষের কষ্ট লাগবের চেষ্টা করতেন।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠন যেমন,উমরপুর ওয়েলফেয়ার,উমরপুর ইউনিয়ন ট্রাষ্ট,বালাগন্জ-ওসমানীনগর সমিতি,গ্রেটার সিলেট,ওসমানীনগর বালাগন্জ এডুকেশন ট্রাষ্ট,এমনকি উনি যেই শহরে থাকেন,সেই ব্রাডফোর্ড শহরেও বিভিন্ন সামাজিক কাজের সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকেন। উনি অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে উনার পিতার নামে একটি চ্যারিটি সংস্থা গড়ে তোলেন যার নাম “শহীদ সফিকুর রহমান ফাউন্ডেশন”। প্রতি বছর এই ফাউন্ডেশন থেকে গরীব অসহায় মানুষদের অর্থ সাহায্য করে থাকেন।এছাড়াও মসজিদ,মাদ্রাসা,এতিমখানাতেও দান করেন প্রতিনিয়ত।
খালেদুর রহমান সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন যে,উনার পিতা এই দেশের জন্য,এই দেশের মানুষের জন্য নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিয়েছেন,তিনিও তাহার পিতার আদর্শ ধরে রাখতে চান এই দেশের মানুষের কল্যাণের মাধ্যমে,তাদের সেবার মাধ্যমে। আর চেয়ারম্যান হলে মানুষের ভিতরে ঢুকে মানুষের দুঃখ,কষ্ট বুঝা যায়,তাদের যেকোন সমস্যা খুব কাছ থেকে অনুধাবন করা যায় বিধায় সহযোগীতা করা যায় খুব দ্রুত।
তিনি আরোও বলেন,উমরপুর ইউনিয়নের প্রতিটি পরিবার ও প্রত্যেক মানুষের সাথে আমার আত্মাার সম্পর্ক। আমি যদি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হই,আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমার ইউনিয়নের মানুষ আমাকে নিরাশ করবেনা ইনশাহআল্লাহ্। আমি বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমার ইউনিয়নকে একটি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি যুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ্। মানুষের যে মৌলিক চাহিদাগুলো আছে যেমন,খাদ্য,বস্ত্র,বাসস্থান,শিক্ষা,চিকিৎসা,ও চিত্তবিনোদন নিশ্চিত করবো ইনশাআল্লাহ্। খেলাধূলার ব্যাপারে তিনি বলেন,সুস্থ দেহে সুন্দর মন।আর শরীল সুস্থ রাখতে হলে খেলাধূলার কোন বিকল্প নেই। আমি নিজেও একসময় ফুটবল খেলতাম,যদিও আমাদের সময় ক্রিকেট খেলা আমাদের অঞ্চলে হতো না তাই ফুটবল জনপ্রিয় ছিল।এখন ফুটবল,ক্রিকেট,ব্যাডমিন্টন সবকিছুই জনপ্রিয়।আল্লাহর রহমতে আমি যদি নির্বাচিত হই,সব ধরনের খেলায় সব-সময় তারা আমাকে কাছে পাবে।







