সিলেট-চট্টগ্রাম জোনে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকি!
প্রকাশিত হয়েছে : ২৩ নভেম্বর ২০২৫, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ

সুরমা নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশের মাটির মাত্র ৫ থেকে ২৫ কিলোমিটার গভীরে টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে বিপুল পরিমাণ শক্তি জমা হয়ে আছে, যা যেকন মূহুর্তে ৮ থেকে ৯ মাত্রার প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পের কারণ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত এই ফল্ট জোনে জমা থাকা শক্তির ৭০ ভাগও যদি একসাথে নির্গত হয়, তবে তা মহাবিপর্যয় ডেকে আনবে। গত ৩১ ঘণ্টায় এই জোন থেকে চারবার ভূমিকম্প হওয়াকে বড় কোনো কম্পনের আগাম সংকেত হিসেবেই দেখছেন গবেষকরা।
বিশিষ্ট ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ও গবেষক অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ূন আখতার জানান, দেশের অভ্যন্তরে বার্মিজ ও ইন্ডিয়ান প্লেটের সংযোগস্থলে এই ফল্ট তৈরি হয়েছে। প্রতি বছর এই প্লেটগুলো একে অপরের দিকে ৮ থেকে ১০ সেন্টিমিটার করে এগিয়ে আসছে, ফলে সংযোগস্থলে গত হাজার বছর ধরে শক্তি সঞ্চিত হচ্ছে। ভূতাত্ত্বিক গবেষণার ফল বিশ্লেষণ করে তিনি সতর্ক করে বলেন, এক থেকে দেড় হাজার বছরের ব্যবধানে বড় ভূমিকম্পের যে প্রাকৃতিক চক্র রয়েছে, বাংলাদেশ এখন সেই সময়ের মধ্যেই অবস্থান করছে।
অধ্যাপক আখতার আরও উল্লেখ করেন, নরসিংদীতে বারবার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলও এই ফল্ট লাইনের অংশ। ছোট ছোট এসব কম্পন শক্তি নির্গমনের শুরু মাত্র। একটি বড় মাপের ভূমিকম্প না হওয়া পর্যন্ত এই ঝুঁকি থেকে বের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে জানান তিনি। বিপর্যয় এড়াতে এবং ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ভূতাত্ত্বিক গবেষণার পরিধি বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।







