উপজেলা নির্বাচন: ওসমানীনগরে আ’লীগের প্রতিপক্ষ আ’লীগ
প্রকাশিত হয়েছে : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১:৪৮ অপরাহ্ণ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় প্রথমবারের মতো উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নির্বাচনকে ঘিরে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। নির্বাচনে শাসকদল আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষই আওয়ামী লীগ। গত ইউপি নির্বাচনে উপজেলার ৮টি ইউপির মধ্যে ৭টিতেই শাসকদলের প্রার্থীদের ভরাডুবি হয়। উপজেলা নির্বাচনেও এর পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর পরিবর্তে নিজ দলের প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কারণে বেকায়দায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আতাউর রহমান। দলীয় কোন্দলের কারণে বিএনপির দলীয় প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের কাছে বারবার ধরাশায়ী হচ্ছেন নৌকা মার্কার প্রার্থী। এছাড়া দলীয় কোন্দলের কারণে উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দিতে না পারায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী গয়াছ মিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন।
সিলেট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে তারই এক সময়ের আপন ও কাছের মানুষ যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জমান চৌধুরী দূরত্ব সৃষ্টি হয়। স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে প্রকাশ্যে কোন্দল শুরু হয় আওয়ামী পরিবারে। গত বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে প্রবীন ও জনপ্রিয় প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান মফুর দলীয় কোন্দলের কারণে ভরাডুবির পর ওসমানীনগর-বালাগঞ্জে আওয়ামী লীগের কোন্দল আর প্রতিহিংসার রাজনীতি আরও প্রকট আকার ধারণ করে। সেই ধারাবাহিকতায় গত ইউপি নির্বাচনে শফিকুর রহমান ও আনোয়ারুজ্জামানের অনুসারীরা আরও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আসা ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনেরই ভরাডুবি হয় দলীয় কোন্দলের কারণে।
১০ বছর পর ২০১৫ সালের ২৬ জানুয়ারি কাউন্সিলের মাধ্যমে ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটির শুধু সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হলেও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে গত ২ বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ। উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুই গ্রুপের ৯ জন দলীয় মনোনয়ন চাইলে শেষ পর্যন্ত শফিক চৌধুরী বলয়ের নেতা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আতাউর রহমানকে মনোনয়ন দেয়া হয়। আর ভাইস চেয়ারম্যানের মনোনয়ন দেয়া হয় জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী জগলুকে। কিন্তু জগলু চৌধুরী ভাইস চেয়ারম্যানের মনোনয়ন প্রত্যাখ্যান করে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নাগরিক কমিটির ব্যানারে চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে লড়ছেন। আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আতাউর রহমানকে ডোবাতে শুধু আনোয়ারপন্থীরাই নয়, খোদ শফিক চৌধুরীর গ্রুপের একাধিক নেতাকর্মী প্রকাশ্যে জগলু চৌধুরীর পক্ষে মাঠে কাজ করছে।
সিলেট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে তারই এক সময়ের আপন ও কাছের মানুষ যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জমান চৌধুরী দূরত্ব সৃষ্টি হয়। স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে প্রকাশ্যে কোন্দল শুরু হয় আওয়ামী পরিবারে। গত বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে প্রবীন ও জনপ্রিয় প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান মফুর দলীয় কোন্দলের কারণে ভরাডুবির পর ওসমানীনগর-বালাগঞ্জে আওয়ামী লীগের কোন্দল আর প্রতিহিংসার রাজনীতি আরও প্রকট আকার ধারণ করে। সেই ধারাবাহিকতায় গত ইউপি নির্বাচনে শফিকুর রহমান ও আনোয়ারুজ্জামানের অনুসারীরা আরও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আসা ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনেরই ভরাডুবি হয় দলীয় কোন্দলের কারণে।
১০ বছর পর ২০১৫ সালের ২৬ জানুয়ারি কাউন্সিলের মাধ্যমে ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটির শুধু সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হলেও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে গত ২ বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ। উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুই গ্রুপের ৯ জন দলীয় মনোনয়ন চাইলে শেষ পর্যন্ত শফিক চৌধুরী বলয়ের নেতা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আতাউর রহমানকে মনোনয়ন দেয়া হয়। আর ভাইস চেয়ারম্যানের মনোনয়ন দেয়া হয় জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী জগলুকে। কিন্তু জগলু চৌধুরী ভাইস চেয়ারম্যানের মনোনয়ন প্রত্যাখ্যান করে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নাগরিক কমিটির ব্যানারে চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে লড়ছেন। আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আতাউর রহমানকে ডোবাতে শুধু আনোয়ারপন্থীরাই নয়, খোদ শফিক চৌধুরীর গ্রুপের একাধিক নেতাকর্মী প্রকাশ্যে জগলু চৌধুরীর পক্ষে মাঠে কাজ করছে।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতাউর রহমান অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কথা স্বীকার করে সুরমানিউজকে বলেন, দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। আমার বিশ্বাস সব ভেদাভেদ ভুলে নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের নৌকার বিজয় নিশ্চিত করবেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কবির উদ্দিন বলেন, সঠিক নেতৃত্বের অভাবে দলে আজ চরম বিশৃংখলা বিরাজ করছে। যার কারণে প্রতিটি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের ভরাডুবি হচ্ছে।







