শনিবার, ২৫ মে, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সিলেটে ঈদের আগেই একদিনে সড়কে লাশ হলেন ৫ জন  » «   ঈদ যাত্রা : সিলেটে অনিরাপদ মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়কের বেহাল দশা  » «   সিলেটি বিলালের মুখে বর্ণনা: ছোট নৌকায় দ্বিগুণ যাত্রী তুলে ভাসিয়ে দেয় সাগরে  » «   সিলেটের অলস গ্যাস কুপ থেকে গ্যাস উত্তোলনের আবেদন যুবলীগ সভাপতির  » «   গোলাপগঞ্জে বৃদ্ধকে বাস থেকে ‘ধাক্কা দিয়ে ফেলে’ হত্যা করলো হেলপার  » «   ওসমানীনগরে থানা পুলিশের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন  » «   লন্ডনের ওভাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম থাকবে সিলেটিদের দখলে  » «   রাজনগরে মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন, বন্যার আশঙ্কা  » «   বালাগঞ্জে আদালতের রায় উপেক্ষা করে জায়গা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৯  » «   সংস্কারের অভাবে বিশ্বনাথ বাইপাস সড়কের বেহাল অবস্থা : রাস্তা নয় যেন পুকুর  » «  

বানরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ সিলেট নগরবাসী

সুরমা নিউজ :
সিলেটে বানরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন নগরবাসী। তারা না পারছেন বানর তাড়িয়ে দিতে না পারছেন বানরের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে।

ভূক্তভোগীরা এই উপদ্রব থেকে কিভাবে রক্ষা পাবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। ক্রমশই বাড়ছে বানরের উপদ্রব। তাদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন নগরবাসী। আচমকা দলবদ্ধ হয়ে খাবারের জন্য ছোট দেয় বানর। শিশুদের আক্রমণের পাশাপাশি বাসা-বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্রও ভাঙচুর করছে।

এর আগে বানরের উৎপাতের এই ঘটনা এই এলাকার তৎকালীন সংসদ সদস্য, সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দফতরেও গিয়ে পৌঁছেছিল। তবে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

নগরীর ৫১ দরগাহমহল্লা রাজারগলির বাসিন্দা ফুল বিবি (৬০) নামের এক মহিলা বানরের কামড়ে আহত হন। ফুল বিবির ছেলে ফয়সাল হোসেন জানান, একটি বানর হঠাৎ তাদের বাসায় ঢুকে তার মায়ের পায়ে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে রক্তাক্ত জখম হন তার মা। পরে তাকে সিলেট নগরীর শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

জানা যায়, নগরীর গোয়াইটুলা, বড়বাজার, আম্বরখানা, চৌকিদেখি, শাহী ঈদগাহ, টিলাগড়, এয়ারপোর্ট রোড এলাকায় ছিল বানরের বিচরণ। তখন তেমন উত্পাত ছিল না। গোয়াইটুলার চাশনী পীর মাজারে বিপুল সংখ্যক বানরের বসবাস। সেখানে ভক্তরা বানরকে নানাকিছু খেতে দেন। তারপরও ঐ এলাকার বাসাবাড়িতে বানরের উৎপাত ছিল। কয়েক বছর আগে ঐ এলাকার এক ব্যক্তি উত্পাতে অতিষ্ঠ হয়ে একটি বানর মেরে ফেলেছিলেন। তারপর প্রতিবাদে নামে মানুষ। কিন্তু ইদানিং শহরজুড়ে বানরের উপদ্রব শুরু হয়েছে।

ফলে ঐ এলাকার বাসিন্দারা রীতিমতো ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন। এই পরিস্থিতিতে গত বছরের আগস্টে আন্দোলন, মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেন ভুক্তভোগীরা। তারা নিজেরা না পারছেন বানর তাড়িয়ে দিতে, না পারছেন বানরের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে।

মজুমদারী এলাকার বাসিন্দারা জানান, ‘যখন তখন বাসার ভেতরে প্রবেশ করে বানর খাবার-দাবার নিয়ে যায়। এ সময় শিশুদের দিকে তেড়ে আসে। কখনো কখনো আক্রমণও করে বসে। এই পরিস্থিতি থেকে দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল হক বলেন, ‘বানর নিধন বা এদের প্রতি বিরূপ আচরণ কারো কাম্য নয়। এদের বাসস্থান নষ্ট করে দেওয়া, যথাযত খাবার না পাওয়ার জন্যই আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে।’ তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন বলেও জানান।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!