শনিবার, ২৫ মে, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সিলেটে ঈদের আগেই একদিনে সড়কে লাশ হলেন ৫ জন  » «   ঈদ যাত্রা : সিলেটে অনিরাপদ মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়কের বেহাল দশা  » «   সিলেটি বিলালের মুখে বর্ণনা: ছোট নৌকায় দ্বিগুণ যাত্রী তুলে ভাসিয়ে দেয় সাগরে  » «   সিলেটের অলস গ্যাস কুপ থেকে গ্যাস উত্তোলনের আবেদন যুবলীগ সভাপতির  » «   গোলাপগঞ্জে বৃদ্ধকে বাস থেকে ‘ধাক্কা দিয়ে ফেলে’ হত্যা করলো হেলপার  » «   ওসমানীনগরে থানা পুলিশের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন  » «   লন্ডনের ওভাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম থাকবে সিলেটিদের দখলে  » «   রাজনগরে মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন, বন্যার আশঙ্কা  » «   বালাগঞ্জে আদালতের রায় উপেক্ষা করে জায়গা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৯  » «   সংস্কারের অভাবে বিশ্বনাথ বাইপাস সড়কের বেহাল অবস্থা : রাস্তা নয় যেন পুকুর  » «  

রান্না করা খাবার পেতে যাচ্ছে শতাধিক উপজেলার ক্ষুধে শিক্ষকার্থীরা

সুরমা নিউজ ডেস্ক:
দেশের  ১শ’ ৪টি উপজেলার  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুধে শিক্ষার্থীরা রান্না করা খাবার পেতে যাচ্ছে।  ‘জাতীয় স্কুল মিল’ নীতিমালা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে শিশুদের দুপুরে রান্না করা খাবার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফও) সহযোগিতায় ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে  জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা, বান্দরবানের লামা উপজেলা, বরগুনার বামনা উপজেলায় প্রাথমিকভাবে এই কর্মসূচী চালু করা হয়। এখন দেশের দারিদ্রপ্রবণ এলাকার সব সরকারি প্রাক প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রকল্পটি চালু করা হচ্ছে।

আগামী জুলাই থেকে আরও ১৬টি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুরে খাবার দেওয়ার এই কর্মসূচি চালু করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে  এই কর্মসূচির আওতায় দেশের  ১০৪টি উপজেলার সবগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে আনা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, “১৬টি উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি দেখে বাকি উপজেলাগুলোতে কীভাবে কাজ করা হবে, তার ছক কষা হবে।” তাঁর আশা, আগামী বছরের মধ্যে ওই সব প্রাক প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তারা এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ কোটির বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। । এর মধ্যে দারিদ্র্যপ্রবণ ১০৪ উপজেলার বিদ্যালয়ে প্রায় ৩২ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। ১০৪ উপজেলায় স্কুল মিল নীতি বাস্তবায়ন করতে হলে বছরে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের  হিসাব কষেছে মন্ত্রণালয়।

সচিব আকরাম বলেন, “আমরা ৮০০০ কোটি টাকা চেয়েছি। সারা দেশে বাস্তবায়ন করতে গেলে এই টাকাটা লাগবে। তবে সরকারি সহযোগিতা ছাড়াও বেসরকারি পর্যায় থেকে কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে তাও আমরা নেব।”

জাতীয় স্কুল মিল নীতির দায়িত্বে থাকা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব বাজেট থেকে প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থ বিভাগও এই প্রকল্পে অর্থের যোগান  দেবে। স্কুল মিল নীতি প্রকল্পের ওপিডি নূরুন্নবী সোহাগ বলেন, ”স্কুলে দুপুরের খাবার দিতে গিয়ে  শিক্ষার্থী প্রতি ১৬ টাকা খরচ যাবে।”

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে একটি সেল বা ইউনিট গঠন করা হবে। কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারণের জন্য একটি পৃথক জাতীয় স্কুল মিল কর্মসূচি কর্তৃপক্ষ গঠনের চিন্তা করা হচ্ছে। এছাড়া বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কারিগরি সহায়তায় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পরে একটি খাদ্য ও পুষ্টি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রও গঠন করবে মন্ত্রণালয়।

২০১১ খ্রিষ্টাব্দে থেকে সরকার ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) যৌথভাবে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি কার্যক্রম শুরু করে।  এ কর্মসূচির আওতায় দেশের ১০৪ টি উপজেলায় ৩২ লাখ ৩১ হাজার প্রাক প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিশেষভাবে প্রস্তুত বিস্কুট সরবরাহ করা শুরু হয়।  কিন্তু শুধু বিস্কুট দিয়ে শিশুদের পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করতে গিয়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে । পুষ্টিবিদরাও স্কুলে ভারী খাবার দেওয়ার পক্ষে তাদের মতামত ব্যক্ত  করেন।  এরপর পরীক্ষামূলকভাবে বান্দরবানের লামা, বরগুনার বামনা ও জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার স্কুলগুলোতে রান্না করা খিচুড়ি দেওয়া শুরু হয় । শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিতের পাশাপাশি দারিদ্র্যপ্রবণ  বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া ঠেকানোও ‘স্কুল ফিডিং কর্মসূচি’র লক্ষ্য।

আর এই কর্মসূচিতে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পার্বত্য লামা উপজেলার চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী বলেন, “এই প্রকল্প চালু হওয়ার পর স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির হার অনেক বেড়েছে। পিছিয়ে পড়া দরি

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!