শনিবার, ২৫ মে, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সিলেটে ঈদের আগেই একদিনে সড়কে লাশ হলেন ৫ জন  » «   ঈদ যাত্রা : সিলেটে অনিরাপদ মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়কের বেহাল দশা  » «   সিলেটি বিলালের মুখে বর্ণনা: ছোট নৌকায় দ্বিগুণ যাত্রী তুলে ভাসিয়ে দেয় সাগরে  » «   সিলেটের অলস গ্যাস কুপ থেকে গ্যাস উত্তোলনের আবেদন যুবলীগ সভাপতির  » «   গোলাপগঞ্জে বৃদ্ধকে বাস থেকে ‘ধাক্কা দিয়ে ফেলে’ হত্যা করলো হেলপার  » «   ওসমানীনগরে থানা পুলিশের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন  » «   লন্ডনের ওভাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম থাকবে সিলেটিদের দখলে  » «   রাজনগরে মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন, বন্যার আশঙ্কা  » «   বালাগঞ্জে আদালতের রায় উপেক্ষা করে জায়গা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৯  » «   সংস্কারের অভাবে বিশ্বনাথ বাইপাস সড়কের বেহাল অবস্থা : রাস্তা নয় যেন পুকুর  » «  

সাগরে নৌকাডুবি, সিলেটের ২৩ ট্রাভেল এজেন্টকে সিলগালা

সুরমা নিউজ ডেস্ক:
লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলবর্তী ভূমধ্যসাগরে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় এ পর্যন্ত সিলেটের ২৩টি ট্রাভেল এজেন্টকে সিলগালা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

ওই ঘটনায় নিখোঁজ ৩৯ জনের মধ্যে ১৪ বাংলাদেশিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। যারা নিখোঁজ রয়েছেন তারা সবাই মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আজ বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

৯ মে দুটি নৌকায় করে ১৩০ জনের মতো বাংলাদেশি লিবিয়া থেকে রওনা দেন। প্রথম নৌকাটি ইতালিতে পৌঁছালেও অন্য নৌকাটিতে ৭০-৮০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। সেই নৌকাটি মূলত ডুবে যায়। সেখানে আহত ১৪ জন বাংলাদেশির মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর।

আহতরা হলেন সুনামগঞ্জের রনি মিয়া, মাদারীপুরের মাসুদ, সাইদ সরদার ও রনি মোল্লা, নোয়াখালীর মাহামুদুর হাসান ও মনজুর আলম, নারায়ণগঞ্জের ইব্রাহীম মিয়া, সিলেটের সিজুর আহমেদ, বিলাল আহমেদ ও মাহফুজ আহমেদ, কিশোরগঞ্জের বাহাদুর, হবিগঞ্জের মামুন মিয়া, শরীয়তপুরের শিশির এবং বরিশালের আল আমিন।

তারা তিউনিসিয়ার জার্জিস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকি ১০ জনকে তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্ট ক্যাম্পে নেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের সবাইকে জোরজবরদস্তি করে পিঠে হাত দিয়ে নৌকায় ওঠানো হয়। নৌকায় ওঠার ১০ মিনিট পরে নৌকাটি ডুবে। উদ্ধারকৃত যে কয়জন তাদের মধ্যে একজন মৃত এসেছে। তার নাম আমরা পেয়েছি। আর ১৪ জনের মধ্যে দুজনের শরীর আগুনে পুড়ে গেছে।

ড. আবদুল মোমেন বলেন, ‘নোয়াখালীর তিন ভাইয়ের একটি চক্র এবং সিলেটের ফ্রড ট্রাভেল এজেন্সিগুলো তাদের পাঠিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নোয়াখালীর তিন ভাইয়ের একটা চক্র লোক পাঠায়। তুরস্কের ইস্তাম্বুল ও লিবিয়ার ত্রিপোলির সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ভালো। সিলেটের প্রতারক ট্রাভেল এজেন্টের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। প্রতারক এজেন্টগুলো মানুষ পাচারে ব্যস্ত থাকে। সিলেটের জেলা প্রশাসক ২৩টি ট্রাভেল এজেন্টকে সিলগালা করে দিয়েছেন।

উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের কাছ থেকে জানা গেছে, তারা চার থেকে ছয় মাস আগে দুবাই হয়ে মিসরের আলেকজান্দ্রিয়া হয়ে ইতালিতে যাওয়ার জন্য লিবিয়ায় প্রবেশ করেন। তাদের নিয়মিত নির্যাতন করা হতো।

এদিকে যারা আহত হয়েছেন তারা দেশে ফিরতে চাইলে তাদের নিয়ে আসা হবে এবং যেসব বাংলাদেশি নৌকাডুবির ঘটনায় মারা গেছেন, তাদের লাশ স্বজনরা চাইলে ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!