সোমবার, ২০ মে, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সিলেটে চাচাকে কোপালো ভাতিজা  » «   বিশ্বনাথের মাছুম অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেন যেভাবে…  » «   সাগরে নৌকাডুবি : অলৌকিকভাবে প্রাণে বাঁচলেন বিশ্বনাথের মাছুম  » «   সেমি-ফাইনালে চার দলে বাংলাদেশকে রাখলেন আকাশ চোপড়া, পাকিস্তানিদের উপহাস  » «   সিলেটে লোডশেডিং বন্ধে বিদ্যুৎ বিভাগকে আল্টিমেটাম  » «   ব্রিটেনে ধনীর তালিকায় এবারও সিলেটের কৃতি সন্তান ইকবাল আহমদ  » «   আজ ১৯ মে, এইদিনে বাংলা ভাষার জন্য শহীদ হয়েছিলেন ১১ জন  » «   শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে যুক্তরাজ্য যুব মহিলা লীগের দোয়া ও আলোচনা সভা  » «   মেধাবীদের জন্য চালু হচ্ছে ‘বিল্ড আমেরিকা ভিসা’  » «   ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ সিলেটের সাব্বিরের সন্ধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা  » «  

নিহতদের ১৯ জন সিলেটের, বাড়ীতে বাড়িতে শোকের মাতম

সুরমা নিউজ:
মধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত ৩৭ বাংলাদেশির মধ্যে ২৭ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।  নিহত ও নিখোঁজদের বাড়িতে এখন চলছে শোকের মাতম। অনেকের মা-বাবা, স্বজনরা মাথা চাপড়ে বিলাপ করে কাঁদছেন। তাদের আহাজারিতে বাতাসও যেন ভারী হয়ে উঠেছে।

নিহত ২৭ বাংলাদেশির পরিচয় প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। এদের মধ্যে ১৯ জনই সিলেট বিভাগের। এরআগে সিলেটর ৬ জন নিহতের খবর পাওয়া গিয়েছিলো।

নিহতরা হলেন- সিলেটের জিল্লুর রহমান, সিলেট বিয়ানীবাজারের রফিক ও রিপন, সিলেট গোলাপগঞ্জের মারুফ, ফেঞ্চুগঞ্জের লিমন আহমেদ, আব্দুল আজিজ, আয়াত ও আহমেদ, সিলেট দক্ষিণ সুরমার জিল্লুর, সিলেটের আমাজল, সিলেটের কাসিম আহমেদ, সিলেট বিশ্বনাথের খোকন, বেলাল, রুবেল, সিলেটের মনির, সুনামগঞ্জের মাহবুব, নাদিম, মৌলভীবাজারের ফাহা, মৌলভীবাজার কুলাউড়ার শামিম, নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার জয়াগ গ্রামের নাসির, ঢাকার টঙ্গীর কামরান, মাদারীপুর জেলার সজিব, শরীয়তপুরের পারভেজ, কামরুন আহমেদ মারুফ, কিশোরগঞ্জ জেলার আল-আমিন, জালাল উদ্দিন  প্রমুখ।

ফেঞ্চুগঞ্জের নিহত লিটন মিয়ার পিতা সিরাজ মিয়া জানান, ৮ লাখ টাকার চুক্তিতে ইটালি যাওয়ার কথা ছিল লিটন মিয়ার। সিলেটের রাজা ম্যানশনের ইয়াহইয়া ওভারসীজ নামের এক এজেন্সির সঙ্গে এমন চুক্তি হয় তাদের। এই এজেন্সির মালিক এনাম আহমদের বাড়ি একই উপজেলায়। এলাকার পরিচয়ের সুবাদেই চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন তারা। ফেঞ্চুগঞ্জের আরো কয়েকজন এই এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।

গতকাল সরেজমিনে কুলাউড়ার ভুকশিমাইল গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া। নিহত শামীমের পরিবারের সদস্যরা জানান, সাত ভাই ও ৩ বোনের মধ্যে সে সবার ছোট। ইতালিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ৩ মাস আগে বাড়ি থেকে বের হয়। বিভিন্ন দেশ হয়ে সে লিবিয়া পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়। তাঁর মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর থেকেই মা রাজনা বেগম বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন। প্রতিবেশীরাও শান্ত্বনা দিতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!