সোমবার, ২০ মে, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সিলেটে চাচাকে কোপালো ভাতিজা  » «   বিশ্বনাথের মাছুম অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেন যেভাবে…  » «   সাগরে নৌকাডুবি : অলৌকিকভাবে প্রাণে বাঁচলেন বিশ্বনাথের মাছুম  » «   সেমি-ফাইনালে চার দলে বাংলাদেশকে রাখলেন আকাশ চোপড়া, পাকিস্তানিদের উপহাস  » «   সিলেটে লোডশেডিং বন্ধে বিদ্যুৎ বিভাগকে আল্টিমেটাম  » «   ব্রিটেনে ধনীর তালিকায় এবারও সিলেটের কৃতি সন্তান ইকবাল আহমদ  » «   আজ ১৯ মে, এইদিনে বাংলা ভাষার জন্য শহীদ হয়েছিলেন ১১ জন  » «   শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে যুক্তরাজ্য যুব মহিলা লীগের দোয়া ও আলোচনা সভা  » «   মেধাবীদের জন্য চালু হচ্ছে ‘বিল্ড আমেরিকা ভিসা’  » «   ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ সিলেটের সাব্বিরের সন্ধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা  » «  

ছাত্রদের হাতে মার খাওয়ার ভয়ে থাকেন ব্রিটেনের শিক্ষকরা

লন্ডন অফিস:
ব্রিটেনে প্রকাশিত এক জরিপ বলছে সেখানে বহু শিক্ষক শিক্ষার্থীদের দ্বারা সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার হন। দেশটিতে জাতীয় পর্যায়ের শিক্ষকদের একটি ইউনিয়নের পাঁচ হাজারের মতো সদস্যদের উপর এই জরিপটি চালিয়েছে। অন্তত ২৪ শতাংশ শিক্ষক বলছেন, তারা সপ্তাহে অন্তত একবার সহিংসতার শিকার হন। প্রতি ১০ জনে চারজন বলছেন তার মৌখিকভাবে হুমকি পেয়েছেন। খবর বিবিসির।

শিক্ষার্থীদের কাছে মৌখিক দুর্ব্যবহার তাদের জীবনের দৈনন্দিন ব্যাপার বলে জানাচ্ছেন একজন শিক্ষক। তিনি বলছেন, ‘আমি ৪০ বছর ধরে শিক্ষকতা করছি। আমি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারে চরম অধঃপতন দেখছি।’

তিনি আরও বলছেন, ‘তাছাড়া এখন শিক্ষকদের কাছে আশাও করা হয় যে তারা মৌখিক দুর্ব্যবহার সহ্য করবে। এমন আচরণ ঠেকাতে কোন ধরনের পদক্ষেপে কারোরই যেন কোন আগ্রহ নেই।’

আরেক শিক্ষক বলছেন, ‘আমার স্কুলতো গত কয়েক বছরে রীতিমতো একটা ভীতিকর যায়গায় পরিণত হয়েছে। আমি করিডোরে বের হই এমন সময়ে যখন শিক্ষার্থীরা ক্লাসে রয়েছে। তা না হলে আমার মনে হয় যে আমি বোধহয় ওদের পায়ের নিচেই চাপা পড়ে যাবো, নতুবা ধাক্কা খেয়ে পড়ে যাবো। তা না হলে কোন ধরনের গালি খেতে হবে আমাকে।’

সংস্থাটির হিসেবে ২০১৬/১৭ সালে ৭৪৫ জন শিক্ষার্থীকে স্কুলে কোন প্রাপ্ত বয়স্ক কর্মকর্তা, কর্মচারী অথবা শিক্ষককে শারীরিক হেনস্থার জন্য স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছিলো। প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থীকে একই অপরাধে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বহিষ্কার করা হয়। ৬৫৫ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো মৌখিক দুর্ব্যবহারের জন্য। এর এক বছর আগে এই সংখ্যা কম ছিল।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!