বুধবার, ২২ মে, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
রাজনগরে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব গ্রহণ  » «   সহীহ-শুদ্ধ কুরআন শিক্ষা দিচ্ছে দারুল কিরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্ট  » «   সরকারি কর্মকর্তাদের কী বলে ডাকবেন জানতে চেয়ে আবেদন  » «   মৌলভীবাজারে সংস্কারের দাবিতে সড়কে ধান রোপণ করে প্রতিবাদ  » «   ব্রিটেনে স্টুডেন্ট ভিসায় পড়তে যাওয়া ৩৪ হাজার শিক্ষার্থীর জীবন বিপন্ন  » «   সিলেটে ইষ্টিকুটুম-মধুবনকে জরিমানা, নিষিদ্ধ মোল্লা লবণ-পচা খেজুর জব্দ  » «   সিলেটে অবৈধ মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড গুড়িয়ে দিয়েছে সিসিক  » «   সিলেটে ফিজায় মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য  » «   জগন্নাথপুরে জিনের ‘গুপ্তধন’ নিয়ে তোলপাড়  » «   দেশে ফিরলেন সাগরে বেঁচে যাওয়া সিলেটের ১৩ যুবক, বিমানবন্দরে জিজ্ঞাসাবাদ  » «  

শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রে চলতি মৌসুমে ৫২১ কোটি টাকার চা বিক্রি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্রে চলতি বছরের প্রথম মৌসুমে প্রায় পৌনে দুই কোটি কেজি চা বিক্রি হয়। বিক্রি করা চায়ের বাজার মূল্য প্রায় ৫২১ কোটি টাকা।

চা ক্রেতাদের চাহিদা ও বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার ২০১৮ সালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চালু করে চায়ের আন্তর্জাতিক নিলাম কেন্দ্র। নিলাম কার্যক্রম শুরুর পর থেকে কেন্দ্রে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি চা বিক্রি হয়েছে। শ্রীমঙ্গলের এ কেন্দ্রে চলতি মৌসুমে ১০টি আন্তর্জাতিক নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে কেন্দ্রের সুত্রে জানা গেছে। এসময়ে চা নিলামে বিক্রি হয়েছে প্রায় পৌনে দুই কোটি কেজি চা।

প্লান্টার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিপিটিএবি) সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৮ ডিসেম্বর শ্রীমঙ্গলে দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছিল। আর এ কেন্দ্রে চা নিলাম কার্যক্রম শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালের ১৪ মে। চলতি মৌসুমের শেষ নিলামটি অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি। এ মৌসুমে প্রতি মাসে একটি করে মোট ১০টি নিলাম অনুষ্ঠিত হযেছে। এসব নিলামে প্রায় ৫২১ কোটি টাকা মূল্যের ১ কোটি ৭৮ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫০ কেজি চা বিক্রি হয়েছে।
২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নবম আন্তর্জাতিক নিলামে ৫৮ কোটি টাকার এবং গত ২৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সর্বশেষ নিলামে ৫ কোটি টাকার চা বিক্রি হয়েছিল।

শ্রীমঙ্গল টিপিটিএবির সদস্য সচিব জহর তরফদার এ প্রতিনিধিকে জানান, নিলাম শুরুর প্রথম মৌসুমে প্রায় ১ কোটি ৭৮ লাখ কেজি চা বিক্রি হয়েছিল। তবে এখানে পর্যাপ্ত ওয়্যারহাউজ থাকলে মাসে একটির পরিবর্তে দুইটি নিলাম ডাকা সম্ভব হতো এতে চা বিক্রির পরিমাণও দ্বিগুণ হতো। তিনি জানান, অনেকগুলো ওয়্যারহাউজের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আমাদের প্রত্যাশা আগামী মৌসুমে শ্রীমঙ্গল নিলাম কেন্দ্রে মাসে একটির পরিবর্তে দুটি আন্তর্জাতিক নিলাম আয়োজন করা সম্ভব হবে। আর তা সম্ভব হলে নিলামে চা বিক্রির পরিমাণ দ্বিগুণ হতে পারে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!