বুধবার, ২২ মে, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সহীহ-শুদ্ধ কুরআন শিক্ষা দিচ্ছে দারুল কিরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্ট  » «   সরকারি কর্মকর্তাদের কী বলে ডাকবেন জানতে চেয়ে আবেদন  » «   মৌলভীবাজারে সংস্কারের দাবিতে সড়কে ধান রোপণ করে প্রতিবাদ  » «   ব্রিটেনে স্টুডেন্ট ভিসায় পড়তে যাওয়া ৩৪ হাজার শিক্ষার্থীর জীবন বিপন্ন  » «   সিলেটে ইষ্টিকুটুম-মধুবনকে জরিমানা, নিষিদ্ধ মোল্লা লবণ-পচা খেজুর জব্দ  » «   সিলেটে অবৈধ মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড গুড়িয়ে দিয়েছে সিসিক  » «   সিলেটে ফিজায় মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য  » «   জগন্নাথপুরে জিনের ‘গুপ্তধন’ নিয়ে তোলপাড়  » «   দেশে ফিরলেন সাগরে বেঁচে যাওয়া সিলেটের ১৩ যুবক, বিমানবন্দরে জিজ্ঞাসাবাদ  » «   গোয়ালাবাজার-খাদিমপুর রাস্তার বেহাল দশা, দেখার কেউ নেই !  » «  

সর্বকালের সেরা ধনী কে

সুরমা নিউজ ডেস্ক :
কিছুদিন আগে প্রকাশিত ফোর্বস বিলিয়নিয়ারের তালিকায় সেরা ধনী হয়েছেন অ্যামাজোনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। ১৩১ বিলিয়ন (১৩ হাজার ১০০ কোটি) ডলার সম্পদের মালিক বেজোস আধুনিক সময়ের সেরা ধনী। হাজার হাজার কোটি ডলারের সম্পদ দেখে আমাদের ধারণা হতে পারে আধুনিক যুগেই কেবল বিপুল অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। তবে অবিশ্বাস্য শোনালেও সত্যি, সর্বকালের সেরা ধনীর সম্পদের কাছাকাছিও বর্তমান বিশ্বের সেরা ধনী বেজোস নেই।

সর্বকালের সেরা ধনীর নাম মানসা মুসা। ১৪ শতকে পশ্চিম আফ্রিকার এই মুসলিম শাসক এতটাই ধনী ছিলেন যে তার দানশীলতার কারণে একটি গোটা দেশের অর্থনীতিতে পর্যন্ত ধস নেমেছিল। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রুডলফ বুচ ওয়ার বলেন, মুসার সম্পদের যে শ্বাসরুদ্ধকর বর্ণনা পাওয়া যায় তাতে আসলে তিনি যে কতটা সম্পদশালী এবং ক্ষমতাশালী ছিলেন তা ধারণা করাও কঠিন। ২০১২ সালে মার্কিন ওয়েবসাইট সেলিব্রিটি নেট ওর্থ তার মোট সম্পদের মূল্য ৪০ হাজার কোটি ডলার বলে একটি ধারণা দেয়। তবে অর্থনীতির ইতিহাসবিদরা একমত যে সংখ্যা দিয়ে তার সম্পদের কোন সঠিক ধারণা দেয়া অসম্ভব।

১২৮০ সালে একটি শাসক পরিবারেই জন্ম মানসা মুসার। তিনি ক্ষমতায় আসার আগে মালি সাম্রাজ্যের শাসক ছিলেন তার ভাই মানসা আবুবকর। ১৩১২ খ্রিস্টাব্দে আবু-বকর সিংহাসন ত্যাগ করে একটি অভিযানে বের হন। আর কখনো ফিরে আসেননি।

মানসার রাজত্ব বিস্তৃত ছিল ২ হাজার মাইলজুড়ে। আটলান্টিক মহাসাগর থেকে শুরু করে বর্তমান নিজার, সেনেগাল, মৌরিতানিয়া, মালি, বুরকিনা ফাসো, গাম্বিয়া, গিনি-বিসাউ, গিনি এবং আইভোরি কোস্টের বড় অংশ ছিল তার রাজত্বে। ব্রিটিশ মিউজিয়ামের হিসেবে মানসা মুসার শাসনামলে তত্কালীন বিশ্বে যে পরিমাণ স্বর্ণের মজুত ছিল তার অর্ধেকই ছিল মালিতে। আর তার সবটারই মালিক ছিলেন মানসা মুসা।

মানসা মুসার মক্কা ভ্রমণে তার সাথে ছিলেন ১২ হাজার দাস-দাসী এবং ৬০ হাজার সঙ্গীর এক বিশাল বহর। মক্কা থেকে বেশ কয়েকজন ইসলামী চিন্তাবিদকে সাথে নিয়ে আসেন মুসা। যাদের মধ্যে ছিলেন নবী মোহাম্মদের (স.) সরাসরি বংশধর এবং একজন আন্দালুসিয়ান কবি ও স্থপতি আবু এস হক এস সাহেলি, যাকে বিখ্যাত জিংগারেবার মসজিদের নকশাকার হিসেবে ধারণা করা হয়। মানসা মুসা সেই কবিকে পারিশ্রমিক হিসেবে ২০০ কেজি স্বর্ণ দিয়েছিলেন বলে কথিত আছে। তার এই উপহারের নমুনা দেখে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায় কি পরিমাণ সম্পদের মালিক ছিলেন তিনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!