রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
এবার ওমান থেকে নির্যাতিত হয়ে ফিরলেন সুনামগঞ্জের নারী  » «   বসন্ত উৎসব মাতাতে সিলেট আসছেন কুমার বিশ্বজিৎ  » «   ওসমানীর জন্ম-মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি  » «   কুড়িয়ে পাওয়া টাকা মালিকের হাতে দিলেন জগন্নাথপুরের হাফিজ জিয়াউর  » «   মেহেদীর রং না মুছতেই সিলেটে ঘাতক বাস কেড়ে নিলো তাসনিমকে  » «   নাসায় ডাক পেলো বিশ্বের ৭৯ দেশকে পেছনে ফেলা শাবির ‘টিম অলিক’  » «   সিলেটের ভাষা নিয়ে যারা ব্যাঙ্গ করেন তাহারা নির্বোধ (ভিডিও) : ভারতীয় অধ্যাপক  » «   সিলেটে চুন দিয়ে জাহেদের চোখ নষ্ট করা ঘাতক ছানুর ফাঁসির দাবি  » «   বিনা খরচে রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের লাশ দেশে যাবে : অর্থমন্ত্রী  » «   সিলেটে এসে পৌঁছেছে লন্ডনী ফুটবল টিম  » «  

সুনামগঞ্জের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিচ্ছে দুদক

সুরমা নিউজ ডেস্ক :
হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তা ও সংশ্নিষ্ট ঠিকাদারসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার কমিশন চার্জশিটটির অনুমোদন দিয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা শিগগির এটি আদালতে পেশ করবেন।

ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৭ সালের ২ জুলাই ৬১ জনকে আসামি করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলাটি করেছিলেন ঢাকায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ। তদন্তে ২৮ আসামির নাম বাদ দিয়ে ৩৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়।

চার্জশিটে বলা হয়, আসামিরা দেওয়ানি অপরাধের পাশাপাশি ফৌজদারি অপরাধ করেছেন। ১৯ জন ঠিকাদার ও পাউবোর ১৪ জন কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে প্রতি বছর বন্যা আসার সময় ও আশঙ্কা সম্পর্কে অবহিত থাকার পরও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারের আট কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। ওই অর্থ আত্মসাৎ ও অবহেলার কারণেই হাওর অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা হয়। এতে কৃষক ও জনসাধারণের আর্থিক ক্ষতি হয়। আসামিরা ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা তৎসহ দণ্ডবিধি ৪০৯/১৬৬/৫১১/১০৯ ধারা লঙ্ঘন করেছেন, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

৩৩ আসামির মধ্যে ১৪ জন পাউবো কর্মকর্তা ও ১৯ জন ঠিকাদারের নাম রয়েছে। তাদের অবহেলা, উদাসীনতা, অনিয়ম, দুর্নীতির কারণে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে হাওরে বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। এতে পাহাড়ি ঢলে ফসলি জমি তলিয়ে গিয়েছিল।

চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আফছার উদ্দীন, সাবেক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী, মো. খলিলুর রহমান, সাবেক সেকশন কর্মকর্তা মো. শহিদুল্যা, ইব্রাহিম খলিল উল্যাহ খান, খন্দকার আলী রেজা, মো. শাহ আলম, মোহাম্মদ মাহমুদুল করিম, মো. মোছাদ্দেক, সজিব পাল, সাবেক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী লিংকন সরকার, রঞ্জন কুমার দাস, অনিক সাহা, সাবেক সেকশন কর্মকর্তা ইমরান হোসেন ও নিহার রঞ্জন দাস।

সংশ্নিষ্ট ঠিকাদারের মধ্যে রয়েছেন- গুডম্যান এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আফজালুর রহমান, মেসার্স এলএন কনস্ট্রাকশনের পার্থ সারথী পুরকায়স্থ, শেখ মো. মিজানুর রহমান, মাহবুব এন্টারপ্রাইজের আবুল মহসীন মাহবুব, নিয়াজ ট্রেডার্সের নিয়াজ আহমেদ খান, প্রীতি এন্টারপ্রাইজের মিলন কান্তি দে, আর আর ট্রেডিংয়ের খান মো. ওয়াহিদ রনি, সোয়েব এন্টারপ্রাইজের মো. সোয়েব আহমেদ, ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্সের মো. ইউনুস, মো. আবদুল কাইয়ুম, মা. আতিকুর রহমান, মো. গোলাম সরোয়ার, মো. নুরুল হক, মো. শাহরিন হক, মোকসুদ আহমেদ, নুনা ট্রেডার্সের মো. সাইদুল হক, এসএ-এসআই প্রা. লিমিটেডের কাজি হাসিনা আফরোজ, শেখ আশরাফ উদ্দিন ও মোহাম্মদ ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্সের মো. শরিফুল ইসলাম।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!