রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
এবার ওমান থেকে নির্যাতিত হয়ে ফিরলেন সুনামগঞ্জের নারী  » «   বসন্ত উৎসব মাতাতে সিলেট আসছেন কুমার বিশ্বজিৎ  » «   ওসমানীর জন্ম-মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি  » «   কুড়িয়ে পাওয়া টাকা মালিকের হাতে দিলেন জগন্নাথপুরের হাফিজ জিয়াউর  » «   মেহেদীর রং না মুছতেই সিলেটে ঘাতক বাস কেড়ে নিলো তাসনিমকে  » «   নাসায় ডাক পেলো বিশ্বের ৭৯ দেশকে পেছনে ফেলা শাবির ‘টিম অলিক’  » «   সিলেটের ভাষা নিয়ে যারা ব্যাঙ্গ করেন তাহারা নির্বোধ (ভিডিও) : ভারতীয় অধ্যাপক  » «   সিলেটে চুন দিয়ে জাহেদের চোখ নষ্ট করা ঘাতক ছানুর ফাঁসির দাবি  » «   বিনা খরচে রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের লাশ দেশে যাবে : অর্থমন্ত্রী  » «   সিলেটে এসে পৌঁছেছে লন্ডনী ফুটবল টিম  » «  

ওসমানীনগরে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অমান্য করে চলছে কোচিং বাণিজ্য

ওসমানীনগর প্রতিনিধি:
আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষার পাঁচ দিন আগ থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আর সেই মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অমান্য করে ওসমানীনগরে নামি-বেনামি কোচিং সেন্টার অব্যাহত রেখেছে তাদের কার্যক্রম। এই সব কোচিং সেন্টারগুরৈার সাথে জড়িৎ রয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক।

অনুন্ধ্যানে জানা যায়, উপজেলার সাদীপুর ইউনিয়নের সাদীপুর পরিক্ষা কেন্দ্রে কয়েকশ গজ দুরে সাদীপুর-সুন্দিখলা রাস্তার মোড়ে মেরিট কোচিং সেন্টারে এসএসসি পরিক্ষা চলা কালিন সময়ে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং কার্যক্রম। এ কোচিং সেন্টারের সাথে জরিৎ রয়েছেন সাদীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের খন্ডকালিন শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মতি। তিনি এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উক্ত স্থানে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কোচিং চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধু মেরিট কোচিং সেন্টার নয় সরকারের নির্দেশ অমান্য করে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে ওসমানীনগরের কয়েকটি কোচিং সেন্টারই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। শনিবার দুপুর ১টা ১৫মিনিট থেকে ২টা ১৫মিনিট পর্যন্ত সাদীপুরের মেরিট কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের কোচিং করানো হয়েছে। তবে উক্ত কোচিংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও সাদীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের খন্ডকালিন শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মতি তিনি জানান, তার কোচিং সেন্টার বন্ধ রয়েছে। এম সময় শনিবার দুপুরের কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীরা ছিলো এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আজ (শনিবার) শিক্ষর্থীদের কোচিং বন্ধ জানানো হয়েছে। তিনি প্রথমে বলেন আমি মেরিট কোচিং এ আগে ছিলাম এখন নেই।

অভিভাবকরা বলেন, আমাদের কোচিং বন্ধ দেয়নি তাই ছেলে-মেয়েরা যাচ্ছে। শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার যা বর্তমানে বাণিজ্য আর এজন্য কোচিং সেন্টার অনেকটাই দায়ী বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। কোচিংয়ের নামে নষ্ট করে ফেলা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস।

ওসমানীনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার চক্রবর্তী জানান, মন্ত্রণাললয়ের নির্দেশ সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার। যদি তদন্ত যে গুলো কোচিং সেন্টার খোলা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!