রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
আজ পবিত্র শবে বরাত  » «   ইলিয়াস কোথায়- সাত বছরেও উত্তর মেলেনি  » «   রমজানে ব্রিটেনের মসজিদগুলোতে নিরাপত্তা দেবে ব্রিটিশ সরকার  » «   সরকারের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের জনগণ উপকৃত হচ্ছেন : এম.পি মাহমুদ উস-সামাদ  » «   সিলেট-২ আসনের সাংসদ মুকাব্বির খানকে শোকজ করছে গণফোরাম  » «   চলে গেলেন সিলেটের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম শফিকুল ইসলাম আমকুনি  » «   ওসমানীনগরে প্রবাসীদের উদ্যোগে পাকা ঘর পেল ৫টি দরিদ্র পরিবার  » «   নুসরাতকে নিয়ে ছোট ভাই রায়হানের আবেগঘন স্ট্যাটাস  » «   কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মেয়র নাইট, হিন্দি গানের সঙ্গে নাচ (ভিডিও)  » «   গোলাপগঞ্জে ইজিবাইক ও ব্যাটারি চালিত রিকশার হিড়িক, বেড়েছে দুর্ভোগ  » «  

সিলেটের ফল থৈকরের ব্যাপক চাহিদা বিদেশে


সাত্তার আজাদ:

সিলেটে ফলটি বেশ জনপ্রিয়। লন্ডন, আমেরিকা, কানাডা, দুবাই, সৌদি আরব, ফ্রান্স, কাতার কুয়েত, অস্টেলিয়াসহ সিলেটী বসবাসকারী দেশগুলোতে থৈকরের চাহিদা ব্যাপক। সিলেটের কয়েকটি এলাকায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ফলটি চাষাবাদ করা হয়।

ফলটির নাম থৈকর। সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় থৈকোল বা থইকর বলা হয়। ফলটি সিলেট ছাড়া দেশের অন্য কোথাও উৎপাদন হয়না। পাহাড়ী টিলা ঘেরা উঁচু ভূমিতে ফলটি বেশ ভালো উৎপন্ন হয়।

সিলেটের বিয়ানীবাজার, জৈন্তপুরের হরিপুর, মৌলভীবাজারের বড়লেখায় গাছে এক জাতীয় ফল উৎপাদন করা হয়। ফলটির নাম থৈকর। গাছ ত্রিশ/চল্লিশ ফুট পর্যন্ত উঁচু হয়। গাছের পাতা গাঢ় সবুজ ও কিছুটা পুরো। আকারে পাতা অনেকটা বড় ও লম্বাটে। টিলাভূমিতে চারা রোপণের পাঁচ বছরের মাথায় ফলন ধরতে শুরু করে। গুটি আকারে ফলটি ধীরে ধীরে বড় হয়। একটি বড় থৈকরের ওজন এক থেকে দেড় কেজি পরিমান। শুধুমাত্র এটি পাওয়া যায় সিলেটের কয়েকটি পাহাড়ি টিলায়। খেতে টক। পাকলে টক-মিষ্টি হয়। ফলের বোটা বেশ শক্ত। পাকা ফলের ভেতরে মিষ্টির আকৃতি বীজ থাকে। বীজটি খেতে মিষ্টি। কাঁচা অবস্থায় এ ফলের রং গাঢ় সবুজ, পাকলে হলদে হয়। সিলেটে ফলটি বেশ জনপ্রিয়। লন্ডন, আমেরিকা, কানাডা, দুবাই, সৌদি আরব, ফ্রান্স, কাতার কুয়েত, অস্টেলিয়াসহ সিলেটী বসবাসকারী দেশগুলোতে থৈকরের চাহিদা ব্যাপক। সিলেটের কয়েকটি এলাকায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ফলটি চাষাবাদ করা হয়। সিলেটের বিয়ানীবাজারের জলঢুপে প্রায় প্রতিটি বাড়িতে থৈকর গাছ আছে। কোনো কোনো গাছে ফলটি বারো মাস ধরে। থৈকর কেটে শুকিয়ে ফুটি করে কয়েক বছর রাখা যায়। কাঁচা থৈকর মাছ দিয়ে রান্না করে খেতে খুব স্বাদ। ফলটিতে প্রচুর ওষধি গুণ রয়েছে। থৈকরের টক খেলে সর্দি নিরাময় হয়। চাহিদা থাকায় ফলটি বিদেশে রপ্তানি করা হয়। সরকারের সহযোগিতায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ বাড়লে এটি দেশের একটি অর্থকরী ফল হবে বলে দাবি কৃষকের।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বনায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জানান, থৈকর বা থৈকোল ভারতের আসামের একটি আদি ফল। সিলেট অঞ্চল আসামের পাশাপাশি থাকায় সেখানের টিলায় ফলটি উৎপন্ন হচ্ছে। এখন সিলেটের বাজারে কাঁচা থৈকর পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি হালি ১০০ থেকে ১২০ টাকা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!