রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
এবার ওমান থেকে নির্যাতিত হয়ে ফিরলেন সুনামগঞ্জের নারী  » «   বসন্ত উৎসব মাতাতে সিলেট আসছেন কুমার বিশ্বজিৎ  » «   ওসমানীর জন্ম-মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি  » «   কুড়িয়ে পাওয়া টাকা মালিকের হাতে দিলেন জগন্নাথপুরের হাফিজ জিয়াউর  » «   মেহেদীর রং না মুছতেই সিলেটে ঘাতক বাস কেড়ে নিলো তাসনিমকে  » «   নাসায় ডাক পেলো বিশ্বের ৭৯ দেশকে পেছনে ফেলা শাবির ‘টিম অলিক’  » «   সিলেটের ভাষা নিয়ে যারা ব্যাঙ্গ করেন তাহারা নির্বোধ (ভিডিও) : ভারতীয় অধ্যাপক  » «   সিলেটে চুন দিয়ে জাহেদের চোখ নষ্ট করা ঘাতক ছানুর ফাঁসির দাবি  » «   বিনা খরচে রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের লাশ দেশে যাবে : অর্থমন্ত্রী  » «   সিলেটে এসে পৌঁছেছে লন্ডনী ফুটবল টিম  » «  

পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট ‘ডিম’ মসজিদ সিলেটে

সাত্তার আজাদ:
সিলেটের গোয়াইনঘাটে রয়েছে দীর্ঘদিনের পুরনো বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মসজিদ। চুন-সুরকির তৈরি মোগল আমলের স্থাপত্যশৈলী নিয়ে নির্মিত এই মসজিদ। মসজিদটিতে মাত্র চারজন মুসল্লির ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার সুযোগ রয়েছে।

সিলেটের গোয়াইনঘাটে রয়েছে দীর্ঘদিনের পুরনো বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মসজিদ। চুন-সুরকির তৈরি মোগল আমলের স্থাপত্যশৈলী নিয়ে নির্মিত এই মসজিদ। মসজিদটিতে মাত্র চারজন মুসল্লির ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার সুযোগ রয়েছে। মসজিদটি এতই ছোট ও আট-সাট যে ৪জনের বেশি মুসল্লির নামাজে দাঁড়ানোর জায়গাই থাকে না।

সিলেটে পর্যটনের নয়নাভিরাম রাজধানী গোয়াইনঘাট। সেখানে জাফলং পর্যটনকেন্দ্র অবস্থিত। সেই উপজেলায় কালাইউরাগ্রামে রয়েছে বহু বছরের পুরনো একটি মসজিদ। এলাকাবাসীর ধারনা এই মসজিদটি পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট মসজিদ। এই মসজিদটিতে ইমামসহ মাত্র পাঁচজন মুসল্লি একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন। উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের কালাউরা গ্রামে দাঁড়িয়ে এই মসজিদ। চুন-সুরকিতে নির্মিত এক গম্বুজের উপাসনালয় হওয়াতে ও গম্বুজটি ডিম্বাকৃতির কারণে এলাকায় এটি ডিম’র মসজিদ নামে প্রচলিত। কেউ কেউ একে গায়েবি মসজিদও বলে থাকেন। এটি মোগল আমলের স্থাপত্যকলার আদলে নির্মিত। ইতিহাসবিদরা মনে করেন মসজিদটি সেই আমলেই তৈরি হয়েছিল। মসজিদের গায়ে ও ডিজাইন নকশায় এরকম আলামত বিদ্যমান। যদিও মসজিদের কোথায় স্থাপত্যকাল বা তৈরির সন লেখা নেই।

দীর্ঘদিনের পুরনো এই মসজিদটি এখনো সচল। কেবল রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে একদিন হয়তো এ অমূল্য ইতিহাসটি বিলীন হয়ে যেতে পারে। প্রাচীনতম এই মসজিদ রক্ষায় এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল মতিন বলেন, হাজার বছরের পুরনো এই মসজিদটি সঠিক ভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করলে কালের সাক্ষী হিসেবে আগামী প্রজন্মের জন্য গবেষণার বিষয় হয়ে উঠতে পারে। তাই তিনি এই মসজিদটি রক্ষণাবেক্ষণে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম বলেন, আমার জানামতে এই মসজিদটি পৃথিবির মধ্যে সবচেয়ে ছোট মসজিদ। প্রাচীনতম এই ইতিহাসটিকে রক্ষা করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। পাশাপাশি তিনি এই মসজিদটি রক্ষণাবেক্ষণে সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!