রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

সিলেটে কড়া নিরাপত্তায় চলছে নতুন কারাগারে বন্দী স্থানান্তর

সুরমা নিউজ:
দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর বন্দী স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরুর মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে অত্যাধুনিক সুবিধা সংবলিত নবনির্মিত সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার।

আজ শুক্রবার (১১ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৭ টা থেকে পুরাতন কারাগার থেকে শহরতলীর বাদাঘাট এলাকায় নির্মিত নতুন কারাগারে বন্দীদের স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু হয়। যার ফলে পুরাতন কারাগারে থাকা ২ হাজার ৩০০ বন্দী পাচ্ছে নতুন ও অত্যাধুনিক ঠিকানা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেটের জেল সুপার আব্দুল জলিল।

এদিকে কারাসুত্র জানিয়েছে আজ শুক্রবারসহ মোট ৩ দিন এই স্থানান্তর কার্যক্রম চলবে। এছাড়া সকাল থেকে যে হারে বন্দী স্থানান্তর চলছে তাতে ৩ দিনের থেকে বেশি সময় লাগার কথা নয় বলে জানিয়েছেন স্থানান্তর প্রক্রিয়া সহযোগী সিলেট মহানগর পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার জেদান আল মুসা।

সিলেট কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কারাগার স্থানান্তর প্রক্রিয়া সফল করতে সিলেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানান্তর কার্যক্রম চলবে। বৃহস্পতিবার থেকে ওই কমিটি কাজ শুরু করেছে।

অপরদিকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর প্রক্রিয়ার কারণে আটক বন্দিদের সাথে তাদের স্বজনদের সাক্ষাৎ কার্যক্রম ৩ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ১০ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে ১২ জানুয়ারি (শনিবার) পর্যন্ত স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ থাকবে।

সূত্রমতে কারাগারের বন্দি স্থানান্তর কার্যক্রমের জন্য সিলেটের বিভিন্ন এলাকা ও সড়কে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ এ নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে সিলেট মহানগর পুলিশ। তাছাড়া যানবাহন সহায়তাও আসছে পুলিশের পক্ষ থেকে। সিলেটের জেল সুপার আব্দুল জলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিরাপত্তার ব্যপারে বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট মহানগর পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার জেদান আল মুসা বলেন- স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় যতোটুকু নিরাপত্তা দেয়া প্রয়োজন তার সবই নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত রাস্তায় নেয়া হচ্ছে বাড়তি নিরাপত্তা।

বন্দী স্থানান্তর প্রক্রিয়ার সার্বিক বিষয়ে সিলেট কারাগারের জেল সুপার আব্দুল জলিল বলেন, একটি কমিটির মাধ্যমে কারাগার স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

স্থানান্তরের পর পুরাতন কারাগার কি কাজে ব্যবহৃত হবে এমন প্রশ্নের জবাবে জলিল বলেন, প্রথমে ঐতিহাসিক এই কারাগারটি যাদুঘর করার কথা থাকলেও পরে এ সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে তা সিলেটের দ্বিতীয় কারাগার হিসেবই ব্যবহৃত হবে। স্থানান্তরের পর অবকাঠামোগত কিছু উন্নয়ন করা হবে। কাজ শেষে হলে ফের তা কারাগার হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
1.8kTweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!