বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
ডিম বালককে বিয়ের প্রস্তাব শ’ শ’ অস্ট্রেলীয় তরুণীর  » «   সিলেটে মেশিনে আদায় হবে যানবাহনের মামলার জরিমানা  » «   রাজনগরে কুড়িয়ে পাওয়া শিশু দু’মাস পর পেল নতুন মায়ের কোল  » «   বিয়ানীবাজারে এবার পরাজিত খছরু’র বাসায় বিজয়ী ভাইস চেয়ারম্যান জামাল!  » «   নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাকুর রহমান মফুরের কৃতজ্ঞতা  » «   নিউজিল্যান্ডে শুক্রবারের জুম্মার আযান ও নামাজ সম্প্রচার করা হবে : জেসিন্ডা  » «   মরমী গানের মাধ্যমে আরকুম শাহ মানুষকে সত্যের পথে ডেকেছেন : ইকবাল সোবহান  » «   নিজেই নির্বাচনী পোস্টার সরিয়ে নিলেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রেমসাগর  » «   কারাগারে আসামীর মৃত্যুর খবরে নবীগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত-১০  » «   আবরারের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের  » «  

একমাত্র সিলেটে উৎপাদিত ‘ফরাসবিচি’ যাচ্ছে লন্ডন আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে

সুরমা নিউজ:
সিলেটের গ্রামাঞ্চলে একধরণের শিম উৎপাদন করা হয়। এই শিমের বীজ সবজি হিসেবে সিলেটের মানুষের কাছে খুবই প্রিয়। লন্ডন আমেরিকাসহ প্রবাসী অধ্যুষিত বিভিন্ন দেশে শিম বীজ রপ্তানি করা হয়। স্থানীয়ভাবে এই শিমের নাম ঝাড়শিম বা ফরাসবিচি। প্রতিবছরের মত এবারও সিলেটের বিভিন্ন উপজেলায় ঝাড়শিমের বাম্পার ফলন হয়েছে।

সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেবে, জেলার বিয়ানীবাজার, কানাইঘাট, হরিপুর, গোলাপগঞ্জ ও সিলেট সদর উপজেলার টুকেরবাজারে ফরাসবিচির চাষাবাদ করা হয়। এবারের ১৫০০ হেক্টর জমিতে ফরাসবিচি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষাবাদ হয়েছে ১৫৭০ হেক্টর জমিতে। বাজারেও এই বীজের চাহিদা ব্যাপক। মৌসুমের শুরুতে ফরাসবিচির প্রতিকেজি ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়। বাজারে আমদানি বাড়ার সাথে দামও কমতে থাকে। শেষ পর্যন্ত প্রতিকেজি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

ফরাসবিচি উৎপাদনের সময় শুরু হয় অক্টোবর মাসে। ফলন আসতে শুরু করে নভেম্বরের শেষ থেকে পুরো জানুয়ারি ফেব্রুয়ারিজুড়ে ফরাসবিচি উৎপাদন মৌসুম। গাছ এক থেকে দেড় ফুট উঁচু। প্রতি গাছে ৬/৭ ইঞ্চি লম্বা শিম ধরে। এই শিমের ভেতরের বীজই হল ফরাসবিচি। শুধু সিলেটে এই ফরাসবিচির উৎপাদন করা হয়। শীতের মাঝামাঝি সময় থেকে শিম পেড়ে ফরাসবিচি বের করা হয়। প্রতি সিমে ৬/৭টি বীজ থাকে। ক্যাপসুল আকারের বিভিন্ন রংয়ের ফরাসবিচি দেখতে খুবই সুন্দর। শীতের সময় ঝাড়শিম তুলে উঠোনে বসে কৃষি পরিবারের সদস্যরা মিলে শিম থেকে ফরাসবিচি বের করে বাজারে বিক্রির উপযোগী করা হয়। এই সময় সিলেটের বাজারে ফরাসবিচি পাওয়া যাচ্ছে। তবে দাম একটু বেশি। বেশি দাম পেয়ে কৃষকেরাও খুশি।

সিলেটের বিয়ানীবাজারে ব্যাপক হারে ফরাসবিচি চাষাবাদ করা হয়। সে এলাকাতে এই বীজের চাহিদা বেশি। বীজ শুকিয়ে অথবা বিশেষভাবে প্যাকেটজাত করে কাঁচা ফরাসবিচি বিদেশে রপ্তানি করা হয়। মাস দিয়ে বা লাইল করে এই বীজ খাওয়া হয়। সিলেট ছাড়া দেশের আর কোথাও ফরাসবিচির চাষ করা হয়না। দেশের কোনো কোনো এলাকায় একই প্রজাতির ঝাড়শিমের চাষ হলেও স্বাদে ও নামে তা ভিন্ন। দেশের কোনো কোনো এলাকায় একে ফেলন বা ফেলনা বলা হয়। সিলেটের কৃষি কর্মকর্তা জানালেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবারে সিলেটে ফরাসবিচির উৎপাদন আশানুরূপ। বলা যায় বাম্পার ফলন হয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!