সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জ-৫ আসন : সংসদ সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে কার কত সম্পদ?

সুরমা নিউজ ডেস্ক:
সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) সংসদীয় আসনে বিভিন্ন দলের মনোনয়ন প্রাপ্ত ও সতন্ত্র প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই তাদের মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা তাদের হলফনামায় প্রার্থীরা তাদের স্ব স্ব সম্পত্তির তালিকা বর্ননা করেছেন। এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান সাংসদ মুহিবুর রহমান মানিক।

হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উনার শিক্ষাগত যোগ্যতা এলএলবি, স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ৩০কোটি ৪৪লাখ ৬হাজার দুইশত ৬১টাকা। এর মধ্যে নগদ টাকা রয়েছে ৪লাখ ৫০হাজার টাকা।

বাড়ি/এ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে আয় ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সংসদ সদস্য হিসেবে বেতন-ভাতা ২৫ লাখ ৩হাজার তিনশত ৪৬টাকা এবং শেয়ার, ব্যাংক, আমানত, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জামানত, পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া বাড়ি, যৌথ সম্পত্তি, কৃষি জমি, দালান আবাসিক, বাণিজ্যিক ভবন, পোস্টাল সেভিংস সার্টিফিকেট ও অন্যান্য স্থায়ী আমানতে বিনোয়োগ রয়েছে ১৩কোটি ৬৯লাখ ২হাজার দুইশত ৫৩টাকা। ৫৬লাখ ৭৬হাজার পাচঁশত ২৫টাকার একটি জিপ গাড়ি রয়েছে উনার।

এছাড়া ৪লাখ টাকার স্বর্ন দুই লাখ ৫৭হাজার টাকার ইলেকট্রনিক যন্ত্র ও আসবাবপত্র রয়েছে। অপরদিকে উনার স্ত্রীর রয়েছে ১লাখ ২০হাজার টাকা মূল্যের ১৫তোলা স্বর্ন। ব্যাংকে তার ঋণ রয়েছে ৬ লাখ ১২হাজার ছয়শত ৪৮টাকা।

এই আসনে বিএনপির মনোনয়নে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন দুই জন।

এদের মধ্যে সাবেক সাংসদ কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের মোট স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ৯৭লাখ ২৭হাজার একশত ৫৬টাকা মূল্যের।

এরমধ্যে উনার নগদ রয়েছে ১লাখ টাকা, কৃষি খাত ও ব্যবসা থেকে আয় ১৪লাখ ১৫হাজার পাচঁশত ৮০টাকা, ব্যাংক জমা ও শেয়ার বিনিয়োগ থেকে আয় ২৫লাখ ৭৮হাজার দুইশত ৫০টাকা। ৯লাখ ২০হাজার টাকা মূল্যের একটি মোটরগাড়ি রয়েছে উনার। ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র রয়েছে ২লাখ ২০হাজার টাকা।

কৃষি ও অকৃষি জমি ও দালানকোঠা রয়েছে ৪৫লাখ ৩হাজার তিনশত ২৬টাকা মূল্যের। উনার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমকম। সাবেক এই সাংসদদের স্ত্রীর স্বর্ন রয়েছে ১লাখ টাকার।

এদিকে অগ্রনী ব্যাংক ছাতক শাখায় উনার দায় রয়েছে ২০লাখ টাকার।

অপরদিকে ছাতক উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজানের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ রয়েছে তার স্ত্রীর সম্পত্তি।

উনার শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ পাশ। সাবেক এই উপজেলা চেয়ারম্যানের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য রয়েছে ১০কোটি ৪৩লাখ ৩হাজার তিনশত ২৯টাকা। এরমধ্যে উনার নগদ টাকা রয়েছে ৮লাখ ৩হাজার নয়শত ৩৬টাকা।

শেয়ার সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক জমা, পোস্টাল সার্টিফিকেট, স্থায়ী আমানত ও অন্যান্য বিনোয়োগ রয়েছে ৫কোটি ৪৫লাখ ৫হাজার নয়শত একটাকা।

এছাড়া ৯লাখ ২০হাজার টাকার মোটরগাড়ি, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র রয়েছে ৭লাখ টাকার্। স্বর্ন রয়েছে ৫০হাজার টাকার, এছাড়া ১কোটি ৬৯লাখ ৫০হাজার একশর ৪টাকা অর্জনকালিন মূলের কৃষি অকৃষি জমি দালানকোঠা রয়েছে উনার। ৩কোটি ৮৫লাখ ৪৯হাজার তিনশত ৪১টাকার ব্যাংক দায় রয়েছে বিএনপি মনোনিত এই প্রার্থীর।

এছাড়া উনার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১৭কোটি ৭৯লাখ ৩হাজার তিনশত ৫৬টাকার সম্পত্তি। এরমধ্যে নগদ টাকা, ব্যাংক জমা, শেয়ার সঞ্চয়পত্র, স্বর্নালংকার, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র রয়েছে।

সুনামগঞ্জ-৫ আসনে ন্যাপের প্রার্থী আব্দুল অদুদ পেশায় ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। তার নগদ কোন টাকা নেই। ব্যাংকে আছে ১৪শত টাকা। ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা হোসাইন আল হারুন তাকমিল ফিল হাদিস পাশ ব্যক্তি। পেশায় তিনি মাদ্রাসা শিক্ষক। তার নগদ ২০ হাজার টাকা রয়েছে। ব্যাংকে কোন টাকা নেই। খেলাফত মজলিস প্রার্থী মো. শফিক উদ্দিন ‘কামিল পাশ’ ব্যক্তি। পেশায় তিনি ট্রাভেলস ব্যবসায়ী।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!