শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

সিলেটের জনসভায় সভাপতিত্ব করবেন মেয়র আরিফ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অনেক নাটকীয়তার পর আজ বুধবার সিলেটে সমাবেশ করার অনুমতি পেয়েছে সরকার বিরোধী পাঁচ দলের নতুন জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বুধবার রেজিস্ট্রারি মাঠে সমাবেশ করবে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন এই ঐক্যফ্রন্ট।

সিলেটে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। প্রধান বক্তা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে সভাপতিত্ব করবেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আরিফুল হক চৌধুরী।

এছাড়াও আ স ম আব্দুর রব, ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, সুলতান মুহাম্মদ মনসুর, মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ ঐক্যফ্রন্টের প্রায় সব শীর্ষ নেতাই এ সমাবেশে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

ঐক্যের শরীক দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন, তাদের দাবির প্রতি জনসমর্থন আছে। তাই সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে। যদিও আওয়ামী লীগের নেতাদের দাবি, সিলেটের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলার সক্ষমতা নেই নতুন এই ফ্রন্টের।

সমাবেশ সফল করতে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সভা করেছে মহানগর বিএনপি। এই সভা থেকে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ সফল করতে প্রত্যেক নেতাদের আহ্বান জানানো হয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের অন্য দলগুলোর দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা না থাকলেও তারা সক্রিয় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলগুলোর নেতারা।

নাগরিক ঐক্যের সিলেট জেলা শাখার সিনিয়র সদস্য অ্যাডভোকেট দেওয়ান মিনহাজ গাজী বলেন, বুধবারের সমাবেশ সফল করতে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। রোববার মাত্র অনুমতি পেয়েছি। এখন আমাদের তৎপরতা আরও দৃশ্যমান হবে।

গণফোরামের সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিলেন্দু দেব বলেন, বিএনপি বড় দল হওয়ায় তাদের কর্মকান্ড সহজেই সবার চোখে পড়ে। তবে আমরাও ওই সমাবেশ ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সিলেট সফর সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই সমাবেশ থেকেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিকে আরও জোরালো করতে চাই।

সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সিলেটের সমন্বয়ক আলী আহমদ বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মানুষের মুক্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। গণতন্ত্র উদ্ধারের দাবি নিয়ে এসেছে। তাই সিলেটের সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ঐক্য ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।’ সাধারণ মানুষই বুধবারের সমাবেশকে সফল করে তুলবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্টের অন্য শরিক দলগুলোও সমাবেশ সফল করার জন্য কাজ করছে। তিনি বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে প্রতিটি ইউনিয়ন, উপজেলা ও পৌরসভার দায়িত্বশীল নেতাদের সমাবেশ সফল করতে জানানো হয়েছে। নেতারা বৈঠক করছেন। আমরা আশাবাদী অল্প সময়ের এ আয়োজন সিলেটের ইতিহাসে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। লোকারণ্য হবে জনসভাস্থল।’

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করেন, সিলেটে ভোটের মাঠে ঐক্যফ্রন্ট কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেন, এই ঐক্যজোটে জনতার সম্পৃক্ততা কম। ঐক্যের বেশিরভাগ নেতারই কোনো জনভিত্তি নেই। তাদের দলগুলোরও কোনো কার্যক্রম নেই। ফলে এই ঐক্য সিলেটের মানুষের মধ্যে কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!