মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
নগরীর ধোপাদিঘী পরিষ্কারে আরিফের আধুনিক যন্ত্র  » «   নির্বাচন এলেই আমি রাজাকারের ছেলে হয়ে যাই : মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী  » «   ওসমানীনগরে মোটর সাইকেলের চাকায় শাড়ির আঁচল পেচিয়ে মহিলা ইউপি সদস্যর মৃত্যু  » «   নির্যাতনের ছক তৈরী করতেন এমপি কয়েস !  » «   ফেসবুকে পোস্ট শেয়ার করায় লন্ডনে বাঙালি কাউন্সিলর সাসপেন্ড  » «   গোলাপগঞ্জে স্ত্রীর মামলায় স্বামী গ্রেফতার, খাবার নিয়ে আসলেন স্ত্রী !  » «   লন্ডনে তরুণীকে অচেতন করে ধর্ষণ, দুই বাঙালি তরুণের ২৪ বছরের জেল  » «   বিয়ানীবাজারে শিমুল মুস্তাফার আবৃত্তি সন্ধ্যা ও প্রেরণা আবৃত্তি উৎসব সম্পন্ন  » «   ব্রিটেন ছাড়তে চান না বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যে কারনে…  » «   এশিয়ার সবচেয়ে ছোট গ্রাম বিশ্বনাথের শ্রীমুখ !    » «  

টাঙ্গাইলের কিশোরীকে বিশ্বনাথে এনে ধর্ষণের পর হত্যা

সুরমা নিউজ:
বিশ্বনাথে উদ্ধার হওয়া কিশোরীর লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাকে বিয়ের আশ্বাসে টাঙ্গাইল থেকে সিলেটের বিশ্বনাথে নিয়ে এসে ধর্ষণের পর পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হয়েছে।  খুন হওয়া ওই কিশোরী টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার নগরভাত আউটপাড়া গ্রামের আতাউর রহমানের কন্যা রুমি আক্তার (১৫)। সে স্থানীয় মৈশামুড়া বসন্ত কুমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

পুলিশ মোবাইলের সূত্র ধরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধর্ষকসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। এরা হলো- উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত ওয়াব উল্লাহর পুত্র ধর্ষক শফিক মিয়া (৩২), তার স্ত্রী সোনালী আক্তার হেপী (২৩) তার দুই ভাবী দিপা বেগম (৩২) ও লাভলী বেগম (২৫)। ধর্ষক শফিক মিয়াকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরস্থ নাসির গ্লাস ফেক্টরি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

বিশ্বনাথ থানার ওসি শামছুদ্দোহা পিপিএম বলেন, ঘাতক শফিক মিয়া টাঙ্গাইলের মির্জাপুরস্থ নাসির গ্লাস ফেক্টরিতে চাকুরি করতো। সম্প্রতি তার শাশুড়ি অসুস্থ হয়ে পড়লে টাঙ্গাইলের কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। একই ওয়ার্ডে অসুস্থ রুমি আক্তারকে নিয়েও ভর্তি করেন পরিবারের লোকজন। এতে স্কুলছাত্রী রুমির সঙ্গে পরিচয় হয় ঘাতক শফিক মিয়ার।

গত ৯ সেপ্টেম্বর রুমি আক্তারকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথের রামচন্দ্রপুর নিজ গ্রামে নিয়ে ধর্ষণ করে সফিক। তারপর রুমিকে একটি খালের পানিতে চুবিয়ে খুন করে ও লাশ পার্শ্ববর্তী পাঠাকইন গ্রামের রাস্তায় ফেলে দেয়া হয়। এরপরই টাঙ্গাইলে তার চাকুরী ক্ষেত্রে পালিয়ে যায় শফিক মিয়া।

পরে লাশটি অজ্ঞাত কিশোরী হিসেবে উদ্ধার করে থানা পুলিশ। লাশ উদ্ধারের পর থেকে শফিকের স্ত্রী অতি আগ্রহ হয়ে আসামিদের ধরতে বারবার পুলিশকে ফোন দেয়। এতে পুলিশের সন্দেহ হলে প্রথমে তার স্ত্রী সোনালী আক্তার হেপীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরই বেরিয়ে আসে শফিকের নাম।

ঘটনার প্রায় আট দিন পর ওই লাশের পরিচয় এবং ঘাতকদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। আর কিশোরী রুমিকে হত্যার দৃশ্য দেখে পুলিশকে না জানানোয় শফিকের দুই ভাবিকে গ্রেফতার করা হয়।

ঘাতক শফিক মিয়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরীকে ধর্ষণের পর একাই হত্যা করেছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!