রবিবার, ২২ জুলাই, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সিলেট নগরে নৌকা মার্কার জোয়ার উঠেছে : আসাদ উদ্দিন  » «   শাল্লায় ‘হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও’ আন্দোলনের উপজেলা পর্যায়ে প্রথম সম্মেলন  » «   কমলগঞ্জে শতভাগ পাশ শমশেরনগর বিএএফ শাহীন কলেজ  » «   এবার ব্যর্থ হয়ে ফিরলেন আরিফ, কামরান বললেন ‘নাটক’  » «   কমলগঞ্জে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক  » «   সিলেটে যুবলীগ নেতার রেস্টুরেন্টে শিবিরের হামলা  » «   নৌকা প্রতীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে শফিকুর রহমানের গণসংযোগ  » «   ২ কর্মীকে ছাড়াতে পুলিশ কার্যালয়ের সামনে আরিফসহ বিএনপি নেতাদের অবস্থান  » «   বাংলাদেশি যেসব পেশাজীবীদের জন্য উন্মুক্ত হলো আরব আমিরাত…  » «   একসঙ্গে ৬ মৃত সন্তান প্রসব মৌসুমীর  » «  

আ’লীগের নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

 

সুরমা নিউজ:

এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী ও বৃহৎ দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন ভবন পয়েছে। শনিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এই ভবন উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলটির ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে আধুনিক এ ভবনের চাবি তুলে দেন নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। এ সময় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, পুরান ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আত্মপ্রকাশ করে আওয়ামী লীগ। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আওয়ামী লীগের অফিস স্থানান্তরের ঘটনা ঘটেছে ৮ থেকে ৯ বার। প্রতিষ্ঠার পর পালাক্রমে সিনিয়র নেতাদের বাসায় বসেই দল পরিচালনার নীতি-কর্মসূচি গ্রহণ করা হতো।

১৯৫৩ সাল থেকে ৯ কানকুন বাড়ি লেনে অস্থায়ী একটি অফিস ব্যবহার করে কার্যক্রম হতো। এরপর ১৯৫৬ সালে পুরান ঢাকার ৫৬ সিমসন রোডে দলের অফিস করা হয়। ১৯৬৪ সালের ২৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করার পর এর তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৯১, নবাবপুর রোডে দলের অফিস নেন।

এর কিছুদিন পর অস্থায়ীভাবে সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলের গলিতে কিছুদিন বসেন নেতারা। পরে পুরানা পল্টনে দুটি স্থানে দীর্ঘদিন দলের অফিস ছিল। সর্বশেষ ১৯৮১ সালের দিকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দলের দায়িত্ব নেয়ার পর ২৩ বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ঠিকানা হয়। সেই থেকে এখনো এখানেই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় রয়েছে।

২০১৬ সালে এটিকে যুগোপযোগী এবং আধুনিক করার লক্ষে পুরনো ভবন ভেঙে ১০ তলা ভবন করার কাজে হাত দেন দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা। সে লক্ষে ২০১৬ সালের ১৭ জুলাই ওই ভবন ভাঙ্গা হয়।

এরপর থেকে অবিরাম ভাঙ্গার কাজ চলে, এরপর টানা নির্মাণ কাজ করে ইতোমধ্যে পুরো কাজ শেষে করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পুরনো ও জরাজীর্ণ ভবনটি ভেঙে সেখানেই গড়ে তোলা হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন বহুতল ভবন।

১০তলা এ ভবনে থাকবে ৬-৭তলা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কার্যালয়। থাকবে কনফারেন্স হল, সেমিনার রুম, ডিজিটাল লাইব্রেরি, ভিআইপি লাউঞ্জ, ক্যান্টিন ও সাংবাদিক লাউঞ্জ। থাকবে ডরমেটরি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের জন্য বেশ পরিসরে পৃথক কক্ষ ও সঙ্গে বেলকনি থাকছে। পুরো কার্যালয়টি করা হবে ওয়াইফাই জোন। ৮ কাঠা জায়গার ওপর ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে ভবনটি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!