সোমবার, ১৮ জুন, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
নবীগঞ্জে বন্যার্তদের মধ্যে বিএনপির ত্রাণ বিতরণ  » «   ঈদের ছুটিতে গোয়াইনঘাটের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের ভিড়  » «   রাজনগরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও দৃশ্যমান হচ্ছে ক্ষত  » «   বন্যার্ত মানুষের পাশে শেরপুরের যুব সমাজ  » «   মৌলভীবাজারে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি : দূর্গত এলাকা পরিদর্শনে ত্রাণমন্ত্রী  » «   সিলেটে যেকারণে খুন করা হয় কলেজ ছাত্র তাহসিনকে (ভিডিওসহ)  » «   ওসমানীনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় ১জন নিহত, আহত ১  » «   ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাদীপুরে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন অর্ধশতাধিক যাত্রী  » «   গোলাপগঞ্জে হাজারো পরিবারে নেই ঈদ আনন্দ  » «   বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হারিয়েই দিলো দুর্দান্ত মেক্সিকো  » «  

বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিয়ানীবাজারে বিপনী বিতানে ক্রেতাদের ভীড়


রাজু ওয়াহিদ, বিয়ানীবাজার:
বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিয়ানীবাজারে বিপনী বিতানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় বাড়ছে। ঈদের শেষ মূহুর্তের কেনাকাটায় সরগরম উপজেলা সদর।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত ১৭ রমজান থেকে পৌরশহরের মার্কেটগুলোতে ক্রেতা সমাগম বাড়তে থাকে। ১৯ রমজান থেকে শহরের মার্কেটগুলো রাত ২টা পর্যন্ত খোলা ছিল। এখন সেহরীর আগ পর্যন্তও বিক্রি চলছে। কিছুদিন আগেও তীব্র গরমের কারনে দিনের চেয়ে ইফতারের পর ক্রেতা সমাগম বেশী হত। এখন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভীড় রয়েছে। তিন দিন থেকে বৃষ্টি হলেও সময় ঘনিয়ে আসায় ক্রেতা সমাগম বেশী। সাধারণত পৌর শহরের কাছাকাছি এলাকার ক্রেতারা ইফতারের পর আসেন। দাসউরা থেকে আসা গৃহিনী সুমা জানান, বাড়ি থেকে উপজেলা সদরের দুরত্ব প্রায় ১০ কি.মি. হলেও দিনের বেলা ঘরের কাজ থাকায় তিনি রাতেই এসেছেন।

জামান প্লাজা, সাত্তার শপিং কমপ্লেক্স, আল-আমিন সুপার মার্কেট, আজির মার্কেট সহ সকল বিপনী বিতানেই ক্রেতাদের ভীড় দেখা গেছে। তুলনামূলক ভীড় বেশি তৈরি পোষাকের দোকানে। কাপড় ব্যবসায় শামীম উদ্দিন জানান এবারের ঈদ গরমের মধ্যে হবে। সেজন্য ফ্যাশন হাউজগুলো সুতি, লিলেন, জর্জেটসহ বিভিন্ন রঙের আরাম দায়ক পোশাক বাজারে এনেছে। ক্রেতারা গরমের কথা মাথায় রেখে পোশাক কিনছেন।

পোষাকের দোকানে মহিলাদের শাড়ি, মেয়েদের নানা ডিজাইনের থ্রি পিছ, লেহেঙ্গা, পুরুষের পাঞ্জাবী, ফতোয়া, শার্ট, পার্ট, শিশুদের শার্ট, গেঞ্জি, প্যান্ট, ফ্রক বিক্রি হচ্ছে বেশি। এখানে ‘সাধ আর সাধ্য’ নিয়ে হাহাকারও বেশি। ক্রেতাদের অভিযোগ-দোকানীরা অনেক বেশি দাম চাইছেন। ক্রেতা মইজ উদ্দিন জানান, একটি দোকানে পাঞ্জাবী কিনতে গেলে সাধারণ মানের একটি পাঞ্জাবীর দাম দেড় হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে। অথচ এটির দাম এক হাজার টাকার উপরে নয়। অপর দিকে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন শেষ মূহুর্তে তারা নূন্যতম মুনাফায় কাপড় বিক্রি করছেন। তাদের ভাষ্য-“টেখা আটকাইয়া রাখিয়া লাভ নাই।”

কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে আলাপকালে তারা বলেন, বেচাকেনা খুব ভালো নয়। বৃষ্টির কারণে তাদের ‘টার্গেট’ পুরণ নাও হতে পারে। এজন্য তার কিছুটা হলেও শংকিত। ঈদকে সামনে রেখে কোটি কোটি টাকার ব্যবসায়ীরা হাট করেছেন। কাপড় যদি বিক্রি আশানুযায়ী বিক্রি না হয় তাহলে অনেকেই অসুবিধায় পড়বেন।

পোষাক ছাড়াও জুতা, কসমেটিকস, জুয়েলারীর দোকানেও ভীড় রয়েছে। জুতা ও কসমেটিকসের ক্ষেত্রে ক্রেতাদের পছন্দ দেশি বিদেশী ব্র্যান্ড। দর্জির দোকানে কাপড় ডেলিভারী নিতেও ভীড় জমেছে।

জন সমাগমে পিছিয়ে নেই ফুটপাতের কাপড়, জুতার দোকানগুলোও। স্বল্প আয়ের মানুষরা এখান থেকেই কেনাকাটা করছেন।
মুদি দোকানেও চলছে ঈদের কেনা কাটা। ব্যবসায়ী বিমল পাল জানান, এসময় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের পাশাপাশি সেমাই, ফিরনী, ময়দা, চিনি, তেল, গরম মশলা বেশি বিক্রি হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!