শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
মাওলানা হাবিবুর রহমানের জানাজা আজ তিনটায় আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে  » «   সিলেটের প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমান আর নেই  » «   এমপি এহিয়ার নেতৃত্বে সিলেট মহানগর জাতীয় পার্টির প্রচার মিছিল  » «   সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী  » «   রাজনগরে বাড়িতে এসে অতর্কিত হামলা, আহত-২  » «   ওসমানীনগরে রোটারী ক্লাবের-মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও বিদায়ী সংবর্ধনা  » «   বিশ্বনাথে ঘাতক শফিকের ফাঁসির দাবীতে স্কুলছাত্রী রুমির পরিবারের মানববন্ধন  » «   ওসমানীনগরে প্রভাবশালী কর্তৃক সরকারি রাস্তার গাছ কর্তন  » «   টিলাগড়ে ছাত্রলীগ কর্মী মিয়াদ হত্যার একবছর পূর্ণ, অপেক্ষা বিচারের  » «   কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু আর নেই  » «  

তাহিরপুরে শিশুর ৪টি আঙুল কেটে দিলো পিআইসি সভাপতি

তাহিরপুর প্রতিনিধি :
অন্যায় শুধু নির্মানাধীন ‘বাঁধে উঠা’। তার শাস্তি হিসেবে সাত বছরের শিশুর ডান হাতের চারটি আঙ্গুল কেটে দিয়েছেন এক প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সভাপতি। শনিবার (১৭মার্চ )বিকেলে তাহিরপুরের মহালিয়া হাওরের  ময়নাখালি বাঁধের কাছে এই ঘটনা ঘটে। ময়নাখালি বাঁধের ২৮ নাম্বার প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) সভাপতি ওয়াদুদ মিয়া এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

আহত শিশুর নাম ইয়াহিন মিয়া। সে তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের সুলেমানপুর গ্রামের শাহানুর মিয়ার ছেলে। ইয়াহিন সুলেমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্র।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার বিকেলে ইয়াহিন গরুর ঘাস কাটার জন্য মহালিয়া হাওর পাড়ে ময়নাখালি বাঁধের ওপর দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় শিশুটি পা পিছলে বাঁধের নিচে পড়ে যায়। এ সময় নির্মানাধীন বাঁধের ড্রেসিংয়ের কাজে সামান্য ক্ষতি হয়। এসময় পিআইসির সভাপতি ওয়াদুদ মিয়া বিষয়টি দেখতে পেয়ে শিশুটির হাতে থাকা কাঁচি কেড়ে নিয়ে হাতের চারটি আঙুল কেটে দেয়।

ইয়াহিনের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বাঁধের ওঠার অভিযোগে ইয়াহিনের ডান হাতের চারটি আঙুল কাঁচি দিয়ে কেটে দেন পিআইসির সভাপতি অওদুদ। শিশুটিকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। বর্তমানে সে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ডাক্তরের চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে পিআইসি সভাপতি ওয়াদুদ মিয়া আমাদের সময়কে বলেন,‘আমি ওই শিশুকে আঘাত দেই নাই। সে অন্য একটি শিশুর সঙ্গে ঝগড়া করে হাতের আঙ্গুল কেটে ফেলেছে।’

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নন্দন কান্তি ধর জানান, ‘আমরা ওয়াদুদ মিয়াকে আটকের চেষ্টা করছি। এর আগে বিষয়টি নিশ্চিত হতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সভাপতিকে পাওয়া গেলে আটক করা হবে।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!