শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
মাওলানা হাবিবুর রহমানের জানাজা আজ তিনটায় আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে  » «   সিলেটের প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমান আর নেই  » «   এমপি এহিয়ার নেতৃত্বে সিলেট মহানগর জাতীয় পার্টির প্রচার মিছিল  » «   সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী  » «   রাজনগরে বাড়িতে এসে অতর্কিত হামলা, আহত-২  » «   ওসমানীনগরে রোটারী ক্লাবের-মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও বিদায়ী সংবর্ধনা  » «   বিশ্বনাথে ঘাতক শফিকের ফাঁসির দাবীতে স্কুলছাত্রী রুমির পরিবারের মানববন্ধন  » «   ওসমানীনগরে প্রভাবশালী কর্তৃক সরকারি রাস্তার গাছ কর্তন  » «   টিলাগড়ে ছাত্রলীগ কর্মী মিয়াদ হত্যার একবছর পূর্ণ, অপেক্ষা বিচারের  » «   কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু আর নেই  » «  

মুসলিম মেয়েদের এই স্কুল ব্রিটেনের সেরা

লন্ডন অফিস: সেরা সেকেন্ডারি স্কুলটির অবস্থান উত্তরাঞ্চলীয় শহর ব্ল্যাকবার্নে। আর সেরা স্কুলের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে থাকা স্কুলটিও একই শহরে। আর দুটি স্কুলই পরিচালনা করে তৌহিদুল ইসলাম নামে একটি শিক্ষা ট্রাস্ট। তৌহিদুল ইসলাম গার্লস হাই স্কুলের প্রায় সব ছাত্রী মুসলমান। এদের বেশিরভাগই হিজাব পরিধান করেন।

কিন্তু হিজাব সম্পর্কে ব্রিটেনের মানুষের যেসব ভুল ধারণা রয়েছে সেটা ভেঙে দেয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে এই স্কুলের ছাত্রীরা মনে করে। তৌহিদুল ইসলাম গার্লস হাই স্কুলের জিসিএসি (ও-লেভেল) এবং এ-লেভেল পরীক্ষার ফলাফল চমকে দেয়ার মতো।

ভর্তির জন্য কোন পরীক্ষা নেয়া হয় না, এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ভর্তির ব্যাপারে অগ্রাধিকার দেয়া হয়। এই স্কুলের একজন ছাত্রী আলিয়া। সে বলছে, তার বাবা কোনদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌকাঠ পেরুতে পারেননি। কিন্তু তিনি এখন খুবই গর্বিত যে আলিয়ার বড় বোন এখন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাক্তারি পড়ছেন। তৌহিদুল ইসলাম স্কুলের ছাত্রীরা পড়াশুনার পাশাপাশি নানা ধরনের সমাজ সেবার সাথেও জড়িত। এই স্কুলের হেডমাস্টারের নাম লুকমান হোসেন।

তিনি বলছেন, তাদের স্কুলের লক্ষ্য হচ্ছে দরিদ্র ছাত্রীদের জন্য সবচেয়ে ভাল সুযোগ তৈরি করে দেয়া। আমাদের সমাজে অনেক বৈষম্য রয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, এই বৈষম্য জয় করে কেউ কি এগিয়ে যেতে পারেন?” বলছেন তিনি, “এটা দূর করার সবচেয়ে ভাল পন্থা হচ্ছে মানসম্পন্ন শিক্ষা।”

ব্ল্যাকবার্ন শহরের একটা অখ্যাতি রয়েছে যে এই শহরে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী একে অপরের থেকে দূরে সরে থাকে। সবার ধারণা যে কমিউনিটিগুলো মধ্যে যোগাযোগ নেই,” বলছে আরেক ছাত্রী উমাইরা, “কিন্তু তারা স্কুলে এসে অবাক হয়ে যান। সে বলছে, তার স্কুল বিভিন্ন ধর্মীয় সংস্থা, সামাজিক সংগঠন এবং নানা ধরনের সমাজসেবামূলক প্রকল্পের সাথে গভীরভাবে জড়িত।

ধর্ম-ভিত্তিক শিক্ষার জন্য তাদের মন ছোট এবং দৃষ্টিভঙ্গি উদার নয় বলে যে অভিযোগ রয়েছে, উমাইরা সেটি উড়িয়ে দেয়। সে বলে, তার ধর্মের সাথে অন্য কোন কিছুর সংঘাত নেই। আমি মুসলিম, আমি নারী, এবং আমি উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষ — এই তিন পরিচয় একে অপরের পরিপূরক।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!