রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
আমার বাবা-ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে -সংবাদ সম্মেলনে কন্ঠশিল্পী রুহী  » «   বিশ্বনাথে বখাটের উৎপাতে প্রাণ গেল কলেজছাত্রীর!  » «   আক্ষেপ ফুরোচ্ছে সিলেটের : শুরুতে নিজেদের শেষটা রাঙাতে চায় বাংলাদেশ  » «   লন্ডন প্রবাসী সিলেটের সাফওয়ান জাতীয় বক্সিংয়ে চ্যাম্পিয়ন  » «   ব্রি‌টে‌নে ১০ বছ‌রে সবচেয়ে বড় ভূ‌মিকম্প অনুভূত  » «   সিলেটে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন, শ্বশুড়-শ্বাশুড়ী আটক  » «   অবসরের সিদ্ধান্ত অর্থমন্ত্রীর!  » «   জগন্নাথপুরে জমি নিয়ে বিরোধের সংঘর্ষে প্রবাসী নিহত, আহত ১০  » «   ১৫ বছরের আক্ষেপ কাটল মদন মোহন কলেজ ছাত্রলীগের  » «   দক্ষিণ ছাতক উন্নয়ন পরিষদ সিলেটের কমিটি পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত  » «  

মান বিবেচনায় এমপিওভুক্তি ও জাতীয়করণ: প্রধানমন্ত্রী

সুরমা নিউজ:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি ও জাতীয়করণ সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা নীতিমালার ভিত্তিতেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করে যাচ্ছি। স্কুল সরকারিকরণ ও এমপিওভুক্তি নীতিমালার ভিত্তিতেই হবে। কোন স্কুলে ছাত্র-ছাত্রী কত, পাওয়ার যোগ্য কি না দেখতে হবে। আমরা আশ্বস্ত করেছি, নিশ্চয়ই আমরা বিবেচনা করব, পরবর্তী বাজেট যখন আসবে তখন সিদ্ধান্ত নিতে পারব।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারের শরিক তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমার কাছে যে স্কুলের প্রস্তাব নিয়ে আসলো সেই স্কুলে মাত্র দেড়শ ছাত্র-ছাত্রী, মাত্র দেড়শ! সেখানে সরকারিকরণ করবার প্রস্তাব নিয়ে আসছে আমারই আত্মীয়। আমি বলে দিলাম যেখানে মাত্র দেড়শ ছাত্র-ছাত্রী, এটা কীভাবে সরকারিকরণ করব? আত্মীয় হলেই তো এসে… বললেই তো আমি করতে পারবো না। আমি ওখানে নির্বাচন করে এমপি হয়েছিলাম। একটা যৌক্তিকতা থাকতে হবে তো। আমার আত্মীয় হয়ে প্রস্তাব নিয়ে আসলো আর আমি সেটা দেখেই সরকারি করে দেবো, এত বড় অন্যায় তো আমি করব না।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা প্রায় ৩৬ হাজার স্কুল সরকারিকরণ করেছিলেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে তখন আমরা ২৬ হাজার স্কুল সরকারি করে দিয়েছি। তখন কিন্তু একটা কথা ছিল, আর কোনো স্কুল সরকারিকরণের জন্য দাবি করা যাবে না, এমপিওভুক্ত করলেই হবে। এরপর বেশকিছু স্কুল এমপিওভুক্ত করে দিয়েছি।

এরপর দেখলাম আবার শিক্ষকরা আন্দোলন শুরু করলেন। প্রত্যেক এলাকায় কোথায় কত স্কুল হবে, কয়টা স্কুল প্রয়োজন সেগুলো কিন্তু একটা হিসাব করে সেইভাবে স্কুল তৈরি করার নীতিমালা আমরা করে দিয়েছি।

বন্যাপ্রবণ এলাকায় কিছু স্কুল তৈরি করার প্রকল্প নিয়েছি। প্রায় ৩ হাজার স্কুল করব। সেখানে স্কুল যেমন চলবে আবার বন্যা এলে সেখানে যেন মানুষ আশ্রয় নিতে পারে সেই ব্যবস্থা হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ