শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

আজ পৌষ সংক্রান্তি

সুরমা নিউজ:
আজ পৌষ সংক্রান্তি। পৌষ মাসের শেষ দিনে আয়োজন করা হয় এই উৎসবের। পৌষ সংক্রান্তিতে মূলত নতুন ফসলের উৎসব ‘পৌষ পার্বণ’ উদযাপিত হয়। গ্রাম বাংলায় এই উৎসবে বাড়িতে বাড়িতে পিঠার আয়োজন করা হয়। আয়োজন করা হয় ঘুড়ি উৎসবের। কোথাও কোথায় এই সংক্রান্তিতে মেলাও হয়।

এ দিনটিতে ঘরে ঘরে চলে নতুন চালের পিঠা-পায়েসের আয়োজন। পৌষ সংক্রান্তি ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নানা আচার-অনুষ্ঠান পালন করলেও ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ ধারণায় বেড়ে ওঠা বাঙ্গালী জাতির কাছে আজ এটি সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। মকর সংক্রান্তি নতুন ফসলের উৎসব ছাড়াও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে ‘উত্তরায়ণের সূচনা’ হিসেবে পরিচিত। একে অশুভ সময়ের শেষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

এদিন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে আয়োজন করা হয় নানা রকম খাবার। সংক্রান্তির দিনে বাংলার প্রতিটি ঘরেই গৃহিণীরা নতুন চালের বিভিন্ন নকশা ও সুস্বাদু পিঠে তৈরি করেন।

তবে বর্তমানে ব্যস্ত জীবনে পিঠে তৈরির সময় বার করা অনেকের কাছেই কঠিন হয়ে পড়েছে । তাই পিঠের স্বাদ নেওয়ার জন্য শরণাপন্ন হতে হয় নামী রেস্তোরাঁ বা মিষ্টির দোকানের।

কিন্তু এই পিৎজা বার্গারের যুগেও পিঠে পুলি আছে সেই পিঠে পুলিতেই। মায়ের হাতের তৈরি পিঠে পুলি আজও আদি ও অকৃত্রিম, কারণ তাতে মেশানো থাকে আদর, স্নেহ, ভালোবাসার স্পর্শ।

এদিকে বর্তমানে এ উৎসবে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। এদিন সন্ধ্যার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়ে যায় আতশবাজি ও ফানুস উড়ানো। সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত এসব এলাকায় চলে আতশবাজির খেলা। সংক্রান্তিতে কোথাও কোথাও আবার শ্বশুরবাড়ি থেকে জামাইদের নাটাই, বাহারি ঘুড়ি উপহার দেওয়া এবং পিঠার ডালা পাঠানো একটি রেওয়াজ। শ্বশুরবাড়ি থেকে ডালা হিসেবে আসা ঘুড়ি, পিঠা আর অন্যান্য খাবার বিলি করা হয় আত্মীয়-স্বজন এবং পাড়ার লোকদের মধ্যে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
88Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!