বুধবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

পানি নিষ্কাশনের জন্যে নদী খননের দাবি

ফাইল ছবি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ জেলার ৫টি উপজেলার হাওরগুলোর পানি নিষ্কাশনের জন্য দিরাই উপজেলার খাজুয়া ও জগন্নাথপুর উপজেলার বিবিয়ানা নদী খননের দাবি করেছেন জগন্নাথপুরের নলুয়ার হাওরপাড়ের বাসিন্দারা। ঐ এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষে জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম খসরু সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকের কাছেও এই দাবি জানিয়ে লিখিত আবেদন করেছেন। লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, জগন্নাথপুর, দিরাই, শাল্লা উপজেলার হাওরগুলোকে অকাল বন্যার হাত থেকে রক্ষা এবং দ্রুত হাওরের পানি নিষ্কাশনের জন্য দিরাই উপজেলার খাজুয়া নদী হতে বেড়া- মোহনা হয়ে ধনু নদী পর্যন্ত এবং দিরাইয়ের কুলঞ্জ ইউনিয়নের হালেয়া গ্রামের পশ্চিমের নাগেরগাঁও নদীর বাঁক সুজা করে কাটতে হবে।

এছাড়া জগন্নাথপুর উপজেলার ইনাতগঞ্জ হতে আজমিরিগঞ্জের মার্কুলি বাজার পর্যন্ত বিবিয়ানা নদী খনন করতে হবে। একই সঙ্গে জগন্নাথপুর উপজেলার রত্না নদী হয়ে গাদিয়ালা পর্যন্ত খাল খনন ও দুই পাড়ে বাঁধ নির্মাণ করা খুবই জরুরি। দক্ষিণ সুনামগঞ্জের বদরপুর হতে শ্যামারচর হয়ে কালনী নদী পর্যন্ত নদী খননের দাবি রয়েছে নলুয়ার হাওরবাসীর আবেদনে।

জগন্নাথপুরের ভাটির গ্রাম মেঘারকান্দির প্রমোতোষ তালুকদার বললেন, ‘বিবিয়ানা নদী ভরাট হয়ে নদীর ওপর জনবসতি গড়ে ওঠেছে। নদীর ওপর দিরাই উপজেলার বোয়ালিয়া বাজার, ইনাতগঞ্জের কিছু অংশ, নোয়াগাঁও, বাউশি এবং গলিসালি গ্রাম গড়ে ওঠেছে। এই নদী খনন করা এখন খুবই কঠিন। এর পাশ দিয়ে প্রবাহিত কুশিয়ারা নদী এখন ঐ অঞ্চলের পানি প্রবাহের নদী।’

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক ভুইয়া বলেন, ‘কালনী নদীর মুখ মার্কুলিতে বন্ধ হয়ে গেছে। এই অঞ্চলের পানি এখন কাজুয়া- চামতি হয়ে পুরাতন সুরমা থেকে ধনু নদী দিয়ে মেঘনায় প্রবাহিত হয়। এই নদীগুলোর খননের বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিকল্পনায় আছে। একইসঙ্গে সুরিয়া-বিবিয়ানার পানি প্রবাহিত কুশিয়ারা নদীও খননের প্রস্তাব রয়েছে।’

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ