বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সিলেটে গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কা : প্রাণ গেল ২ জনের  » «   সিলেটে দেশের ৩য় বৃহত্তম চিড়িয়াখানা, চালু হচ্ছে সীমিত জনবল নিয়ে  » «   ছাত্রলীগকর্মী তানিম হত্যা : আসামী ডায়মন্ড ও রুহেল ৫ দিনের রিমান্ডে  » «   জামেয়া গহরপুর মাদ্রাসার ৬১ তম বার্ষিক মাহফিল আজ  » «   সিলেটে অস্ত্রসহ হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার  » «   কার্ডিফের মতো সিলেট গড়তে চাই : মেয়র আরিফ  » «   সুনামগঞ্জে বোরো আবাদ : কৃষকদের চরম হতাশা, লক্ষ্যমাত্রা সোয়া ২ লাখ হেক্টর জমি  » «   সিলেটে পাথর কোয়ারীতে অভিযান : ১৫টি লিস্টার মেশিন ধ্বংস  » «   সিলেটে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল  » «   সিলেটে ওসমানী স্মৃতি পরিষদের শীতবস্ত্র বিতরণ  » «  

হবিগঞ্জে স্কুল ছাত্র হত্যা : আদালতে দুই ঘাতকের লোমহর্ষক বর্ণনা

সুরমা নিউজ ডেস্ক:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শিবজয়নগর গ্রামে স্কুল ছাত্র শাহপরাণ (৭) কে হত্যাকান্ডের ঘটনায় আদালতে লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে ঘাতকরা। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ঘাতক রাসেল ও জালাল এ হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দিতে তারা উল্লেখ করে, উপজেলার সাতপাড়িয়া বড়তলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেনীর ছাত্র ও শিবজয় নগরের মোঃ সাবাস মিয়ার ছেলে শাহ পরান (৭) অপহরণ কারীদের চিনে ফেলায় অপহরনের আধা ঘন্টার মধ্যেই একটি মাঠে গলা টিপে হত্যা করে ডোবার পানির নিচে ঝোপঝাড়ে লাশ লুকিয়ে রেখে ঘাতকরা। পরে তারা যার যার মতো করে চলে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবজয় নগর গ্রামের তাউস মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া (২৫) ও তার সহযোগি বড়লেখা উপজেলার চাঁন গ্রাম (আকুল নগর) মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাসেল মিয়া (২৫) তাদের স্বীকারোক্তিতে আরও উল্লেখ করে, গত ৬ জানুয়ারী সন্ধ্যার দিকে সাতপাড়িয়া একটি দোকানের সামনে থেকে কৌশলে একই গ্রামের মোঃ সাবাস মিয়ার ছেলে মোঃ শাহ পরান (৭) কে অপহরন করে গ্রামের পাশে মাঠে নিয়ে যায়। কিন্তু শাহপরান অপহরনকারী জালালকে চিনে ফেলায় দুর্বৃত্তরা তাকে গলাটিপে হত্যা করে লাশ ডোবার পানির নিচে ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে রেখে জালাল বাড়ীতে চলে যায় এবং রাসেল হেটে দরগা গেইট গিয়ে গাড়ীতে উঠে বড়লেখা চলে যায়। পরদিন সকালে জালাল বড়লেখা গিয়ে রাসেলের সঙ্গে মিলিত হয়ে শাহপরানের পিতার কাছে মোবাইল ফোনে দু’লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে এ ঘটনায় শাহপরানের পিতা সাবাস মিয়া থানায় একটি জিডি করেন। জিডিতে উল্লেখিত মোবাইল ফোন নাম্বার টেকিং করে থানার এস.আই মমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার ভোররাতে জালাল মিয়া ও রাসেল মিয়াকে বড়লেখা থেকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদের দেখানো মতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিবজয়নগর একটি ডোবায় পানির নিচে ঝোপজারের ভেতর থেকে শাহপরানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বুধবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে শাহপরানের লাশ পুলিশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন। লাশ নিয়ে বাড়ীতে আসলে শাহপরানের লাশ দেখার জন্য এলাকার লোকজন ও তার স্কুলে সহপাঠিরা জড়ো হয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। জানাযার নামায শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ