বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
টাঙ্গাইলের কিশোরীকে বিশ্বনাথে এনে ধর্ষণের পর হত্যা  » «   থানা পুলিশের প্রেসব্রিফিং বর্জন করল বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়ন  » «   ‘ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুর অনুভূতি’ রচনা প্রতিযোগিতায় ওসমানীনগরের রিমা প্রথম  » «   সন্ধান মিলেছে নিখোঁজ এমসি কলেজ শিক্ষার্থী সাজ্জাদের  » «   সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ২ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার, থানায় জিডি  » «   কমলগঞ্জে বিশ্বকর্মা পুজায় দুষ্কৃতিকারীর হামলায় মহিলাসহ আহত ৬  » «   নবীগঞ্জে কুশিয়ারা বুকে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত  » «   বিশ্বনাথে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের আতঙ্ক ‘ভূতুড়ে বিল’  » «   বিশ্বনাথে ১২ দিনেই জমি নামজারির সুযোগ পাচ্ছেন প্রবাসীরা  » «   মৌলভীবাজারের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক রাজাকার আনিছের মৃত্যু  » «  

হবিগঞ্জে স্কুল ছাত্র হত্যা : আদালতে দুই ঘাতকের লোমহর্ষক বর্ণনা

সুরমা নিউজ ডেস্ক:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শিবজয়নগর গ্রামে স্কুল ছাত্র শাহপরাণ (৭) কে হত্যাকান্ডের ঘটনায় আদালতে লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে ঘাতকরা। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ঘাতক রাসেল ও জালাল এ হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দিতে তারা উল্লেখ করে, উপজেলার সাতপাড়িয়া বড়তলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেনীর ছাত্র ও শিবজয় নগরের মোঃ সাবাস মিয়ার ছেলে শাহ পরান (৭) অপহরণ কারীদের চিনে ফেলায় অপহরনের আধা ঘন্টার মধ্যেই একটি মাঠে গলা টিপে হত্যা করে ডোবার পানির নিচে ঝোপঝাড়ে লাশ লুকিয়ে রেখে ঘাতকরা। পরে তারা যার যার মতো করে চলে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিবজয় নগর গ্রামের তাউস মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া (২৫) ও তার সহযোগি বড়লেখা উপজেলার চাঁন গ্রাম (আকুল নগর) মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাসেল মিয়া (২৫) তাদের স্বীকারোক্তিতে আরও উল্লেখ করে, গত ৬ জানুয়ারী সন্ধ্যার দিকে সাতপাড়িয়া একটি দোকানের সামনে থেকে কৌশলে একই গ্রামের মোঃ সাবাস মিয়ার ছেলে মোঃ শাহ পরান (৭) কে অপহরন করে গ্রামের পাশে মাঠে নিয়ে যায়। কিন্তু শাহপরান অপহরনকারী জালালকে চিনে ফেলায় দুর্বৃত্তরা তাকে গলাটিপে হত্যা করে লাশ ডোবার পানির নিচে ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে রেখে জালাল বাড়ীতে চলে যায় এবং রাসেল হেটে দরগা গেইট গিয়ে গাড়ীতে উঠে বড়লেখা চলে যায়। পরদিন সকালে জালাল বড়লেখা গিয়ে রাসেলের সঙ্গে মিলিত হয়ে শাহপরানের পিতার কাছে মোবাইল ফোনে দু’লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে এ ঘটনায় শাহপরানের পিতা সাবাস মিয়া থানায় একটি জিডি করেন। জিডিতে উল্লেখিত মোবাইল ফোন নাম্বার টেকিং করে থানার এস.আই মমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার ভোররাতে জালাল মিয়া ও রাসেল মিয়াকে বড়লেখা থেকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতদের দেখানো মতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিবজয়নগর একটি ডোবায় পানির নিচে ঝোপজারের ভেতর থেকে শাহপরানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বুধবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে শাহপরানের লাশ পুলিশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন। লাশ নিয়ে বাড়ীতে আসলে শাহপরানের লাশ দেখার জন্য এলাকার লোকজন ও তার স্কুলে সহপাঠিরা জড়ো হয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। জানাযার নামায শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!