বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সিলেটে দেশের ৩য় বৃহত্তম চিড়িয়াখানা, চালু হচ্ছে সীমিত জনবল নিয়ে  » «   ছাত্রলীগকর্মী তানিম হত্যা : আসামী ডায়মন্ড ও রুহেল ৫ দিনের রিমান্ডে  » «   জামেয়া গহরপুর মাদ্রাসার ৬১ তম বার্ষিক মাহফিল আজ  » «   সিলেটে অস্ত্রসহ হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার  » «   কার্ডিফের মতো সিলেট গড়তে চাই : মেয়র আরিফ  » «   সুনামগঞ্জে বোরো আবাদ : কৃষকদের চরম হতাশা, লক্ষ্যমাত্রা সোয়া ২ লাখ হেক্টর জমি  » «   সিলেটে পাথর কোয়ারীতে অভিযান : ১৫টি লিস্টার মেশিন ধ্বংস  » «   সিলেটে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল  » «   সিলেটে ওসমানী স্মৃতি পরিষদের শীতবস্ত্র বিতরণ  » «   ওসমানীনগরে ইলিয়াস আলীর জন্য বিএনপি নেতা ফারুকের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ  » «  

মানবতাবিরোধী অপরাধ : মৌলভীবাজারের দু’জনের ফাঁসি, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

সুরমা নিউজ ডেস্ক:
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় মৌলভীবাজারের দুইজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া রায়ে তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া দুইজন হলেন মো. নেছার আলী এবং ওজায়ের আহমেদ চৌধুরী। আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া তিনজন হলেন সামছুল হোসেন তরফদার ওরফে আশরাফ, ইউনুছ আহমেদ এবং মোবারক মিয়া। বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারকের ট্রাইব্যুনাল বুধবার এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ইউনুছ আহমেদ ও ওজায়ের আহমেদ চৌধুরী কারাগারে আছেন, বাকিরা পলাতক।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যা, আটক, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের পাঁচটি অভিযোগ আনা হয় পাঁচজনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে গত বছর ৮ ডিসেম্বর এই পাঁচ আসামির বিচার শুরু করে আদালত। ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর ওই পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর পর ২০১৬ সালের ২৬ মে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। একই বছর ৮ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের পর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২০১৭ সালের ১৫ জানুয়ারি। এর আগে ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে ওইদিন বিকালেই রাজনগর উপজেলার গয়াসপুর গ্রামের ওজায়ের আহমেদ চৌধুরীকে (৬০) মৌলভীবাজার শহরের চৌমোহনা থেকে ও ইউনুছ আহমদকে (৭০) তার সোনাটিকি গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামিদের মধ্যে সামছুল হোসেন তরফদার একাত্তরে আল-বদর বাহিনীর এবং নেছার আলী রাজাকার বাহিনীর স্থানীয় কমান্ডার ছিলেন। বাকি তিনজন রাজাকার বাহিনীর সদস্য হিসেবে বিভিন্ন যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত হন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ