রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সিলেট-৩ আসনে প্রার্থীজট : কে হচ্ছেন নৌকার, ধান ও লাঙ্গলের কাণ্ডারি?  » «   সিলেটে চার ছাত্রদল নেতার রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর  » «   মালয়েশিয়ায় ৫৫ জন বাংলাদেশি আটক  » «   সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সকালে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, সন্ধ্যায় মশাল মিছিল  » «   নবীগঞ্জে ‘হায় হোসেন হায় হোসেন’ ধ্বনিতে পবিত্র আশুরা পালিত  » «   উন্নয়নের জন্য নৌকার মাঝি হতে চান শফিক চৌধুরী  » «   অল ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হলেন কবির আল মাহমুদ  » «   নবীগঞ্জে শিক্ষকের অবহেলায় সমাপনী টেস্ট পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হল আট শিক্ষার্থী  » «   হবিগঞ্জে হাত-মুখ বাধা অবস্থায় সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার  » «   ‘হায় হাসান-হায় হুসেন’ মাতমে ওসমানীনগরে আশুরা পালিত  » «  

দুশ্চিন্তা থেকে বাচাঁর উপায় কী?

সাজ্জাদ হোসেন ইমন:
আসলে দুশ্চিন্তা কী? যে চিন্তাগুলো মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রাকে ব্যাহত করে থাকে সাধারণত দুশ্চিন্তা বলা হয়। দুশ্চিন্তা মানুষের শরীরের সবকয়টি সেলকে আক্রমণ করে, মানুষের মেজাজকে খিটখিটে করে তুলে,ব্রেইনের ভিতরে নার্ভের ব্লাড সার্কুলেশন কমিয়ে দেয়। যার ফলে, মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেনা, মানুষিক ও শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে থাকে।
তাই স্বাভাবিকভাবে বেচেঁ থাকার জন্য দুশ্চিন্তা থেকে বিরত থাকতে হবে। কিন্তু চাঁইলেইতো দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকা যায় না। দুশ্চিন্তা থেকে বাঁচতে হলে কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য করতে হবে ও তা মেনে চলতে হবে। প্রথমে অতীত এবং ভবিষ্যৎ এর গভীর চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। ভাবতে হবে অতীত কখনো আসবে না কোনো কিছুর বিনিময়ে তাই এই বৃথা চিন্তা করে লাভ নেই এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। তাই অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করে বৃথা সময় নষ্ট করা যাবেনা। সবসময় বর্তমান নিয়ে ভাবতে হবে, বর্তমানের কাজগুলো সঠিকভাবে পালন করতে হবে, সর্বদা সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা রাখতে হবে।
তবে এটা সত্যি যে, অতীত এবং ভবিষ্যৎ বাদ দিলে জীবন চলেনা। তাই অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎকে নিয়ে পরিকল্পনা সাজাতে হবে। কোনোভাবে দুশ্চিন্তা করা যাবেনা।
দুশ্চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসার আরেকটা সহজ মাধ্যম হচ্ছে নিজেকে নিয়ে ভাবুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন, আমি কি জন্মের সময় কোনোকিছু সাথে এনেছি, মৃত্যুর সময় আমি কি কোনোকিছু সাথে নিব। উত্তরটা যখন আসবে (না)। তখন নিজেকে বুঝাতে হবে মধ্যখানে আমার কর্মের দ্বারা আমি যা পেয়েছি / পাবো সব সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায়, এখানে হারানোর কিছুই নেই! তাহলে নিজেকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত করা যাবে।
উল্লেখ্য,এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ মানুষ দুশ্চিন্তায় আক্রান্ত। এর মধ্যে বেশিরভাগ ইয়ং ছেলে-মেয়েরা রয়েছে।

লেখক: সাজ্জাদ হোসেন ইমন
অনার্স শেষ বর্ষ(এমসি কলেজ,সিলেট)

(সুরমানিউজ এর পাঠককলামে প্রকাশিত সব লেখা পাঠক কিংবা লেখকের নিজস্ব মতামত। এই সংক্রান্ত কোনো ধরনের দায় সুরমানিউজ বহন করবে না। সুরমানিউজ এর কোনো লেখা কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।)

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
35Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

error: Content is protected !!