বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সিলেটে দেশের ৩য় বৃহত্তম চিড়িয়াখানা, চালু হচ্ছে সীমিত জনবল নিয়ে  » «   ছাত্রলীগকর্মী তানিম হত্যা : আসামী ডায়মন্ড ও রুহেল ৫ দিনের রিমান্ডে  » «   জামেয়া গহরপুর মাদ্রাসার ৬১ তম বার্ষিক মাহফিল আজ  » «   সিলেটে অস্ত্রসহ হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার  » «   কার্ডিফের মতো সিলেট গড়তে চাই : মেয়র আরিফ  » «   সুনামগঞ্জে বোরো আবাদ : কৃষকদের চরম হতাশা, লক্ষ্যমাত্রা সোয়া ২ লাখ হেক্টর জমি  » «   সিলেটে পাথর কোয়ারীতে অভিযান : ১৫টি লিস্টার মেশিন ধ্বংস  » «   সিলেটে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল  » «   সিলেটে ওসমানী স্মৃতি পরিষদের শীতবস্ত্র বিতরণ  » «   ওসমানীনগরে ইলিয়াস আলীর জন্য বিএনপি নেতা ফারুকের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ  » «  

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সুরমা নিউজঃ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৪ সালের এই দিনে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সিলেটের করিমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা সৈয়দ সিকান্দার আলীর চাকরির সুবাদে তার প্রাথমিক শিক্ষাজীবন কাটে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ১৯২১ সালে তিনি শান্তিনিকেতনে ভর্তি হন। ১৯২৬ সালে সেখান থেকে বিএ পাস করেন। ১৯৩২ সালে তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে গবেষণার জন্য তিনি পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ১৯৩৪-১৯৩৫ সালে মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন সৈয়দ মুজতবা আলী।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শেষ করে তিনি ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত কাবুলের একটি কলেজে অধ্যাপনা করেন। ১৯৩৫ সালে বরোদার মহারাজার আমন্ত্রণে বরোদা কলেজে তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এর পর দিল্লীর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। পরবর্তীকালে বগুড়া আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের খণ্ডকালীন প্রভাষকের দায়িত্ব পালন করেন।

সৈয়দ মুজতবা আলী পঞ্চাশের দশকে পাটনা, কটক, কলকাতা ও দিল্লীতে আকাশবাণীর স্টেশন ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬১ সালে শান্তিনিকেতনে ফিরে বিশ্বভারতীর ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের রিডার হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৫ সালে অবসর গ্রহণ করেন তিনি।

বহুভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা একই সঙ্গে পাণ্ডিত্য এবং রম্যবোধে পরিপুষ্ট। তার রম্যরচনার মধ্যে রয়েছে— পঞ্চতন্ত্র (১৯৫২) ও ময়ূরকণ্ঠী (১৯৫২)।

ভ্রমণকাহিনীগুলির জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয় সৈয়দ মুজতবা আলী। তার লেখা ভ্রমণকাহিনীর মধ্যে রয়েছে— দেশে বিদেশে (১৯৪৯) ও জলে ডাঙ্গায় (১৯৬০)।

সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে— অবিশ্বাস্য (১৯৫৪), শবনম (১৯৬০) ও শহরইয়ার (১৯৬৯)। ছোটগল্পের মধ্যে — চাচা কাহিনী (১৯৫২) ও টুনি মেম (১৯৬৪)।

তিনি  ‘সত্যপীর’, ‘ওমর খৈয়াম’, ‘টেকচাঁদ’, ‘প্রিয়দর্শী’ প্রভৃতি ছদ্মনামে তখনকার শীর্ষস্থানীয় পত্রিকায় নিয়মিত কলাম লিখতেন।

সৈয়দ মুজতবা আলী লেখালেখির জন্য তিনি বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, নরসিং দাস পুরস্কার (১৯৪৯), আনন্দ পুরস্কার (১৯৬১) ও একুশে পদক (২০০৫)।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ